
Sourav Ganguly : গত কয়েক বছর ধরে সানা থাকেন বিদেশে। ফল পুজোর এই সময়টাতে তাঁর ঘরে ফেরা হয় না। এবার বাবা মায়ের সঙ্গে সানা থাকবেন কলকাতায়
নতুন জামা, আড্ডা, খাওয়া-দাওয়া, প্য়ান্ডেল হপিং। বাঙালির দুর্গা পুজো কাটে এভাবেই। এই কয়েকটা দিন প্রতিটা বাঙালিই চায়, নিজের পরিবারের সঙ্গে থাকতে। প্রবাসে থাকেন যাঁরা, পুজোর কয়েকটা দিনের জন্য তাঁদের মন ছটফট করে। কারও ঘরে ফেরা হয়, কারও হয় না। উৎসবের আনন্দে মেতে উঠতে চায় প্রতিটা বাঙালি। এবার তাই সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের মেয়ে সানার আনন্দের সীমা নেই। কারণ এবারের পুজোয় তিনি থাকছেন কলকাতায়, পরিবারের সঙ্গে।
সৌরভের স্ত্রী নৃত্যশিল্পী ডোনা গঙ্গোপাধ্যায় জানান, এবার তিনিও কলকাতাতেই থাকবেন পুজোয়। অন্যবার বিদেশে নিজের নাচের দল দীক্ষামঞ্জরীকে নিয়ে যেতে হয় তাঁকে। এবার সেরকম কোনও পরিকল্পনা নেই। ডোনা জানান, তাঁদের টাইম স্কোয়ারে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ভিসা সমস্যার জন্য তা আর হয়ে ওঠেনি। পুজোয় তাঁর নাচের স্কুলের এবার কোনও অনুষ্ঠানও নেই। অনেক বছর পর গোটা পরিবার একসঙ্গে থেকে পুজো উপভোগ করবে।
প্যান্ডেল হপিং হয়তো সম্ভব হবে না। তবে পাড়ার ও বাড়ির পুজোয় জমিয়ে আনন্দ করার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের, জানান ডোনা। হাতে গোনা কয়েকটি পুজো দেখারও পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের। উল্লেখ্য, সৌরভের বেহালার বাড়িতে প্রতি বছরই ঘরোয়াভাবে পুজো হয়। বেহালার বড়িশায় সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বাড়ির গা ঘেঁষে হয় বড়িশা প্লেয়ার্স কর্নারের পুজো। সেখানে সামিল হন দাদা। উল্লেখ্য ১৯৭২ সালে সৌরভের বাবা প্রয়াত চণ্ডী গঙ্গোপাধ্যায়ের হাত ধরে এই পুজোর সূচনা হয়েছিল।
পুজোর প্রতিটি পর্বে আগেও সৌরভকে দেখা গিয়েছে বড়িশা প্লেয়ার্স কর্নারের পুজোয়। তবে এবার পুজো একটু অন্যরকম তাঁর কাছে। কারণ সানা এবার থাকবেন কলকাতায়। লন্ডনে চাকরি করেন সানা। সেখানেই তাঁর পড়াশোনা। ফলে গত কয়েক বছরে সানা পুজোর সময় থেকেছেন লন্ডনেই। এবার অবশ্য অন্যরকম পুজো সানা, সৌরভ ও ডোনার।
সৌরভের নিজস্ব কিছু পরিকল্পনা রয়েছে। কিছু প্রজেক্ট-এর পরিকল্পনা রয়েছে মহারাজের। সেসব পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত থাকবেন সানা। বাবার সেই সব প্রোজেক্ট-এর তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকতে পারেন সানা। ফলে আপাতত সানা থাকবেন এখানেই।
(Feed Source: news18.com)
