
যন্তর মন্তরের গেট টপকে বিক্ষোভের অভিযোগে ককরোচ জনতা পার্টির সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করল দিল্লি পুলিশ। ঘটনাকে ঘিরে রাজধানীতে রাজনৈতিক উত্তেজনা।
যন্তর মন্তরের গেট টপকে বিক্ষোভ
নয়াদিল্লি: যন্তর মন্তরের ভিতরে বেআইনি ভাবে ঢুকে পড়ার অভিযোগে ককরোচ় জনতা পার্টি, CJP নেতা সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা এবং অন্যান্যদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করল দিল্লি পুলিশ৷ মঙ্গলবার সকাল সকালই সামনে আসে একটি ভিডিও৷ যেখানে দেখা যায়, যন্তর মন্তরের গেট টপকে ভিতরে ঢুকে যাচ্ছেন সিজেপি নেতা সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা এবং অজিঙ্ক শিন্ডে। আর এরপরেই তাঁদেরকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে যন্তর-মন্তরে প্রতিবাদ দেখানোর সময় তাঁদের আটক করে দিল্লি পুলিশ।
একটি ভিডিও-য় দেখা যায়, সিজেপির বেশ কিছু বিক্ষোভকারী যন্তর-মন্তরের গেট টপকে ভিতরে ঢুকতে দেখা যায়। এরপরেই তাঁদের পুলিশ তাড়া করে সেই সময় তাঁদের স্লোগান দিতেও দেখা যায়। পুলিশকর্মীরা তাঁদের আটকাতে গেলে তাঁদের সঙ্গে ধস্তাধস্তিও হয়। এরপরেই সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে নিশ্চিত করেন তিন নেতা সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা এবং অজিঙ্ক শিন্ডেকে আটক করে সরিয়ে নিয়ে যায় পুলিশ।
সিজেপির পক্ষ থেকে তাঁদের বিক্ষোভস্থল ফিরে পাওয়ার চেষ্টা বলে অভিহিত করেছে। এই প্রসঙ্গে, সিজেপির তরফ থেকে পোস্টের মাধ্যমে লেখা হয়, “সিজেপি যন্তর-মন্তরে চুপিচুপি ঢুকে পড়েছিল। আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাস, এবং অজিঙ্ক শিন্ডে এবং অন্যান্য সিজেপি স্বেচ্ছাসেবকরাও যন্তর-মন্তরের ভিতরে ঢুকে পড়েন। এরপরেই পুলিশ তাঁদের আটক করে।”
প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ-সমাবেশের জন্য নির্দিষ্ট জায়গার তালিকা থেকে বাদ পড়ল যন্তর মন্তর। তার পরিবর্তে দিল্লিতে তিনটি নতুন স্থানকে বিক্ষোভ-সমাবেশের জন্য নির্দিষ্ট করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।
নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, বিক্ষোভ ও সমাবেশের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে তিনটি জায়গা—রামলীলা ময়দান, বুরারি ময়দান এবং পূর্ব দিল্লির সিবিডি ময়দান। এই তিনটি স্থানে কীভাবে বিক্ষোভ বা সমাবেশ আয়োজন করা যাবে, তা নিয়ে বিস্তারিত সংশোধিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (এসওপি) পরে প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র।
(Feed Source: news18.com)
