ফুলে ফুলে উপচে পড়বে গাঁদা গাছ…! বিশেষ প্রজাতির চাষেই তাক লাগাচ্ছেন চাষিরা, ‘শীতের’ ফুলই এখন হাসি ফোটাচ্ছে সারা বছর!

ফুলে ফুলে উপচে পড়বে গাঁদা গাছ…! বিশেষ প্রজাতির চাষেই তাক লাগাচ্ছেন চাষিরা, ‘শীতের’ ফুলই এখন হাসি ফোটাচ্ছে সারা বছর!

Marigold: শীতকালের গণ্ডি পেরিয়ে বিশেষ প্রজাতির চাষের মাধ্যমে উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়া, বসিরহাট এবং স্বরূপনগর এলাকায় এখন সারা বছরই গাঁদা ফুল উৎপাদন করে লাভের মুখ দেখছেন কৃষকরা।

শীতের ফুল গাঁদা এখন সারা বছরই! বিশেষ প্রজাতির চাষে লাভের মুখ দেখছেন কৃষকরা। ফুলের মরশুম বলতে সাধারণত আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে শীতকাল। বিশেষ করে গাঁদা ফুলের চাষ এতদিন মূলত শীতের মরশুমকে কেন্দ্র করেই হয়ে আসছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে বদলেছে চাষের পদ্ধতি।

শেষ প্রজাতির গাঁদা ফুলের চাষ করে এখন সারা বছরই উৎপাদন করছেন কৃষকরা। ফলে মরশুমের গণ্ডি পেরিয়ে বাজারেও বছরভর মিলছে গাঁদা ফুল। গাঁদা ফুলের চাহিদা সবসময়ই যথেষ্ট।

পুজো-পার্বণ থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান, ধর্মীয় আচার এবং নানা কাজে গাঁদার মালার ব্যবহার রয়েছে। বিশেষ করে ফুলের মালার চাহিদা থাকায় সারা বছরই গাঁদা ফুলের বাজার তৈরি থাকছে। সেই চাহিদাকে কাজে লাগিয়েই নতুন প্রজাতির গাঁদা চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের মধ্যে।

ত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়া, বসিরহাট, স্বরূপনগর এলাকাতেও এখন বেশ কিছু কৃষক সারা বছর ধরে বিশেষ প্রজাতির গাঁদা ফুল চাষ করছেন। প্রচলিত মরশুমি চাষের পরিবর্তে এই পদ্ধতিতে বছরের বিভিন্ন সময়ে জমি থেকে ফুল সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে। ফলে একদিকে যেমন বাজারে ফুল সরবরাহ করা যাচ্ছে, অন্যদিকে চাষিরাও নিয়মিত আয়ের সুযোগ পাচ্ছেন

কৃষকদের মতে, গাঁদা ফুলের চাহিদা থাকায় উৎপাদিত ফুল বাজারজাত করতে খুব বেশি সমস্যায় পড়তে হচ্ছে না। বিশেষ করে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও ধর্মীয় উৎসবের সময় ফুলের চাহিদা বেড়ে গেলে ভালো দাম পাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হচ্ছে। তাই সঠিক পরিচর্যা ও বাজারের চাহিদা বুঝে চাষ করতে পারলে এই ফুল চাষ থেকে ভালো আয় করা সম্ভব বলে মনে করছেন তাঁরা।

শীতকাল নির্ভর গাঁদা চাষের সেই পুরনো ধারণাকে বদলে দিয়ে সারা বছর ফুল উৎপাদনের এই উদ্যোগে এলাকায় কৃষকদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। জমিতে এখন আর শুধু একটি নির্দিষ্ট মরশুমের অপেক্ষা নয়—সারা বছরই ফুটছে গাঁদা, আর সেই ফুলের হাত ধরেই লাভের মুখ দেখছেন এলাকার কৃষকরা।

(Feed Source: news18.com)