‘নির্বাচন কমিশনারের বিশেষ সুবিধা ভোগ করা উচিত নয়’, জ্ঞানেশকে নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতির

‘নির্বাচন কমিশনারের বিশেষ সুবিধা ভোগ করা উচিত নয়’, জ্ঞানেশকে নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতির

 

ভোটচুরির অভিযোগে উত্তাল গোটা দেশ। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি জোরাল হচ্ছে। সেই নিয়ে এবার মুখ খুললেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি জোসেফ কুরিয়েন।

‘নির্বাচন কমিশনারের বিশেষ সুবিধা ভোগ করা উচিত নয়’, জ্ঞানেশকে নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতির

প্রাক্তন বিচারপতি কুরিয়েনের মতে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার একজন ব্যক্তিমাত্র। বিশেষ কোনও সুবিধা ভোগ করতে পারেন না তিনি। কোনও ব্যক্তিবিশেষ নয়, প্রতিষ্ঠানের হাতেই ন্যস্ত থাকা উচিত ক্ষমতা।

নির্বাচন কমিশনার স্বাধীনতা এবং মর্যাদা রক্ষার্থে আরও দৃঢ় সাংবিধানিক রক্ষাকবচের পক্ষে সওয়াল করেছেন বিচারপতি কুরিয়েন। কেরলের আইনজীবী সংগঠনের আয়োজিত ‘Independence of Election Commission of India: Compromised?’ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নিজের মতামত জানান তিনি।

নির্বাচন কমিশনার স্বাধীনতা এবং মর্যাদা রক্ষার্থে আরও দৃঢ় সাংবিধানিক রক্ষাকবচের পক্ষে সওয়াল করেছেন বিচারপতি কুরিয়েন। কেরলের আইনজীবী সংগঠনের আয়োজিত ‘Independence of Election Commission of India: Compromised?’ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নিজের মতামত জানান তিনি।

বক্তৃতা করতে গিয়ে প্রাক্তন বিচারপতি কুরিয়েন বলেন, “মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিশেষ সুবিধা ভোগ করা উচিত নয়। গোটাটাই প্রতিষ্ঠাননির্ভর, ব্যক্তিনির্ভর নয়। দুর্ভাগ্যের বিষয় হল, আমাদের দেশে উচ্চতর সাংবিধানিক পদে আসীন  ব্যক্তিদের মনে একটা ভুল ধারণা কাজ করে যে ক্ষমতা বুঝি তাঁদের মধ্যেই নিহিত। প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষেত্রে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ হলে বিষয়টি নিয়ে ভাবার কারণ রয়েছে যথেষ্ট।”

বক্তৃতা করতে গিয়ে প্রাক্তন বিচারপতি কুরিয়েন বলেন, “মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিশেষ সুবিধা ভোগ করা উচিত নয়। গোটাটাই প্রতিষ্ঠাননির্ভর, ব্যক্তিনির্ভর নয়। দুর্ভাগ্যের বিষয় হল, আমাদের দেশে উচ্চতর সাংবিধানিক পদে আসীন ব্যক্তিদের মনে একটা ভুল ধারণা কাজ করে যে ক্ষমতা বুঝি তাঁদের মধ্যেই নিহিত। প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষেত্রে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ হলে বিষয়টি নিয়ে ভাবার কারণ রয়েছে যথেষ্ট।”

নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের সততা এবং নিষ্ঠা নিয়ে উদ্বেগের বিষয়গুলি তুলে ধরেন প্রাক্তন বিচারপতি কুরিয়েন। এ প্রসঙ্গে স্বাধীনতা সংগ্রামী তথা সংবিধান কমিটির সদস্য হৃদয়নাথ কুঞ্জুরুর বক্তব্য তুলে ধরে সতর্ক করেন যে, নির্বাচন তদারকির কাজে নিযুক্ত আধিকারিকদের প্রতি অনাস্থা তৈরি হলে গণতন্ত্র দুর্বল হয়ে পড়ে।

নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের সততা এবং নিষ্ঠা নিয়ে উদ্বেগের বিষয়গুলি তুলে ধরেন প্রাক্তন বিচারপতি কুরিয়েন। এ প্রসঙ্গে স্বাধীনতা সংগ্রামী তথা সংবিধান কমিটির সদস্য হৃদয়নাথ কুঞ্জুরুর বক্তব্য তুলে ধরে সতর্ক করেন যে, নির্বাচন তদারকির কাজে নিযুক্ত আধিকারিকদের প্রতি অনাস্থা তৈরি হলে গণতন্ত্র দুর্বল হয়ে পড়ে।

প্রাক্তন বিচারপতি কুরিয়েন বলেন, “হৃদয়নাথ কুঞ্জুরু পদাধিকারীদের সততা ও নিষ্ঠার কথা বলেছিলেন। সেই সততা যদি প্রশ্নাতীত না হয়, তাহলে গণতন্ত্রের শিকড়ে বিষ ছড়িয়ে পড়বে। বর্তমান সময়ে কি তেমনটাই দেখছি না আমরা? সংবিধানের মূল দর্শনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ আচরণ না করা ব্যক্তিদের হাতে কি বিষাক্ত হয়ে ওঠেনি গণতন্ত্র?”

প্রাক্তন বিচারপতি কুরিয়েন বলেন, “হৃদয়নাথ কুঞ্জুরু পদাধিকারীদের সততা ও নিষ্ঠার কথা বলেছিলেন। সেই সততা যদি প্রশ্নাতীত না হয়, তাহলে গণতন্ত্রের শিকড়ে বিষ ছড়িয়ে পড়বে। বর্তমান সময়ে কি তেমনটাই দেখছি না আমরা? সংবিধানের মূল দর্শনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ আচরণ না করা ব্যক্তিদের হাতে কি বিষাক্ত হয়ে ওঠেনি গণতন্ত্র?”

প্রাক্তন বিচারপতি কুরিয়েন আরও বলেন, “আমি শুধু এটুকুই বলব যে, দেশের উচিত এখনই গণতন্ত্র রক্ষার ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করা এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা। ভারতের নির্বাচন কমিশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের উপর যখন সাংবিধানিক ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে, সেই প্রতিষ্ঠানের সততা এবং স্বাধীনতার সুনিশ্চিতকরণও আবশ্যক।”

প্রাক্তন বিচারপতি কুরিয়েন আরও বলেন, “আমি শুধু এটুকুই বলব যে, দেশের উচিত এখনই গণতন্ত্র রক্ষার ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করা এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা। ভারতের নির্বাচন কমিশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের উপর যখন সাংবিধানিক ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে, সেই প্রতিষ্ঠানের সততা এবং স্বাধীনতার সুনিশ্চিতকরণও আবশ্যক।”

শুধুমাত্র বিশেষ সুবিধাই নয়, সংবিধান মেনে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের প্রক্রিয়া, কর্মজীবনের শর্তাবলী রূপায়নের পক্ষেও সওয়াল করেন প্রাক্তন বিচারপতি কুরিয়েন। তাঁর বক্তব্য, “ভারতের নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা প্রয়োগের পদ্ধতি এমন হওয়া উচিত নয়, যাতে  প্রতিষ্ঠানের স্বতন্ত্রতা পদে আসীন কোনও ব্যক্তির উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে।”

শুধুমাত্র বিশেষ সুবিধাই নয়, সংবিধান মেনে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের প্রক্রিয়া, কর্মজীবনের শর্তাবলী রূপায়নের পক্ষেও সওয়াল করেন প্রাক্তন বিচারপতি কুরিয়েন। তাঁর বক্তব্য, “ভারতের নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা প্রয়োগের পদ্ধতি এমন হওয়া উচিত নয়, যাতে প্রতিষ্ঠানের স্বতন্ত্রতা পদে আসীন কোনও ব্যক্তির উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে।”

SIR-এ অনিয়ম, ভোটচুরি নিয়ে যখন উত্তাল দেশ, এই মুহূর্তে খবরের শিরোনামে উঠে এসেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ। বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলকে ভোটবাক্সে সুবিধা করে দেওয়ার অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে। নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ হোক বা আইন বদল করে মুখ্য় নির্বাচন কমিশনারের জন্য বরাদ্দ আজীবনের রক্ষাকবচ, আতসকাচের নীচে সব কিছুই।

SIR-এ অনিয়ম, ভোটচুরি নিয়ে যখন উত্তাল দেশ, এই মুহূর্তে খবরের শিরোনামে উঠে এসেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ। বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলকে ভোটবাক্সে সুবিধা করে দেওয়ার অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে। নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ হোক বা আইন বদল করে মুখ্য় নির্বাচন কমিশনারের জন্য বরাদ্দ আজীবনের রক্ষাকবচ, আতসকাচের নীচে সব কিছুই।

২০২৩ সালে নয়া আইন এনে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ কমিটি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়  সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিকে। এতটাই ক্ষমতা দেওয়া হয় যে সাংবিধানিক পদে থাকা কোনও ব্যক্তিও পান না। জ্ঞানেশকে বাঁচাকেই আইনবদল করা হয় বলে দাবি বিরোধী থেকে বিশেষজ্ঞদের। সেই  নিয়ে কাটাছেঁড়ার মধ্যেই নিজের অবস্থান জানালেন প্রাক্তন বিচারপতি কুরিয়েন।

২০২৩ সালে নয়া আইন এনে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ কমিটি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিকে। এতটাই ক্ষমতা দেওয়া হয় যে সাংবিধানিক পদে থাকা কোনও ব্যক্তিও পান না। জ্ঞানেশকে বাঁচাকেই আইনবদল করা হয় বলে দাবি বিরোধী থেকে বিশেষজ্ঞদের। সেই নিয়ে কাটাছেঁড়ার মধ্যেই নিজের অবস্থান জানালেন প্রাক্তন বিচারপতি কুরিয়েন।

(Feed Source: abplive.com)