
অজিত আগরকরের পর জাতীয় নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে পার্থিব প্যাটেলের নাম শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু ভারতীয় দলের প্রাক্তন উইকেটরক্ষক-ব্যাটার দায়িত্ব নিতে আগ্রহী নন। আগরকরের শূন্যস্থান পূরণের জন্য আগ্রহীদের কাছ থেকে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড আবেদনপত্র আহ্বান করেছিল। কিন্তু পার্থিব আবেদনই করেননি। ফলে কিছুটা সমস্যায় বোর্ড কর্তারা।
নির্বাচক হওয়ার জন্য আবেদনই করলেন না পার্থিব প্যাটেল (Photo: X/File)
মুম্বই: ভারতের প্রাক্তন উইকেটকিপার পার্থিব প্যাটেলকে বিসিসিআইয়ের সিনিয়র পুরুষ ক্রিকেট দলের নির্বাচক কমিটিতে পশ্চিমাঞ্চলের প্রতিনিধি হিসেবে অজিত আগরকরের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার অন্যতম সম্ভাব্য প্রার্থী বলে মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু তিনি ওই পদের জন্য আবেদন করেননি। ফলে প্রজ্ঞান ওঝার মেয়াদের বাকি সময়ের জন্য নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়ার পথ প্রশস্ত হয়েছে।
আগরকর ছিলেন পশ্চিমাঞ্চলের প্রতিনিধি। তাই তাঁর শূন্যস্থান পূরণ করার জন্য পশ্চিমাঞ্চল থেকেই নতুন জাতীয় নির্বাচক বেছে নিতে হবে বিসিসিআইকে। শোনা যাচ্ছিল, নতুন নির্বাচক হতে পারেন পার্থিব প্যাটেল। তাঁর সঙ্গে বিসিসিআইয়ের কয়েক জন কর্তার নাকি প্রাথমিক কথাও হয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী, আগরকরের মেয়াদ সরকারি ভাবে শেষ হওয়ার পর শূন্যপদ পূরণের লক্ষ্যে আবেদনপত্র আহ্বান করে বিসিসিআই। বোর্ডের এক কর্তা সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে বলেছেন, ‘‘আবেদন করার সময়সীমা ছিল ১৪ অক্টোবর বিকাল ৫টা। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পার্থিবের আবেদনপত্র পায়নি বোর্ড। জানি না সময় বৃদ্ধি করা হবে কিনা। সময় বৃদ্ধি করা হলে এবং পার্থিব প্যাটেল সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করলে তবেই অন্যরকম কিছু হতে পারে।’’
দক্ষিণাঞ্চলের প্রতিনিধি ওঝা তাঁর মেয়াদের বাকি সময়ের জন্য চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব চালিয়ে যাবেন বলে মনে করা হচ্ছে। বর্তমান নির্বাচকদের মধ্যে তাঁর টেস্ট ম্যাচ খেলার সংখ্যা বেশি হওয়ায় এই পদের জন্য তাঁর প্রার্থীপদ আরও শক্তিশালী হয়েছে।
ভারতের প্রাক্তন উইকেটকিপার সমীর দিঘের নামও এই পদের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে। নির্বাচক পদে নিয়োগের জন্য শেষবার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলে পাওয়ার ও দিঘে—দু’জনেই আবেদন করেছিলেন। তবে বিসিসিআই আবেদনের সময়সীমা বাড়িয়ে পার্থিবকে আবেদন করার সুযোগ না দিলে পশ্চিমাঞ্চল থেকে যোগ্য ও পরিচিত প্রার্থীদের সংখ্যা সীমিত বলেই মনে করা হচ্ছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে পার্থিবের সিনিয়র নির্বাচক কমিটিতে যোগ দেওয়ার পরিবর্তে গুজরাত টাইটান্সের কোচিং দলের সঙ্গে যুক্ত থাকা এবং ধারাভাষ্যকার হিসেবে নিজের দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
(Feed Source: news18.com)
