Greater Noida 5 Dead Case: উত্তরপ্রদেশের গ্রেটার নয়ডা থেকে একটি দুঃখজনক খবর সামনে এসেছিল। সেখানে একই পরিবারের পাঁচজনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন স্বামী-স্ত্রী এবং তাঁদের তিন নাবালক সন্তান। কীভাবে তাঁদের মৃত্যু হল, সেই ঘটনায় এখন একের পর এক নতুন দিক সামনে আসছে। আসুন, জেনে নেওয়া যাক গোটা ঘটনাটি।
নুডলস-চা নয়, ৫ জনের মৃত্যুর নেপথ্যে অন্য কারণ!
গ্রেটার নয়ডা: উত্তরপ্রদেশের গ্রেটার নয়ডায় সম্প্রতি একই পরিবারের ৫ জনের রহস্যজনক পরিস্থিতিতে মৃত্যু হয়েছিল। এই ঘটনায় এখন একের পর এক নতুন তথ্য সামনে আসছে। প্রথমে বলা হয়েছিল, রাতে ম্যাগি ও চা খাওয়ার পর তাঁদের মৃত্যু হয়েছে। এরপর ওই যুবকের মায়ের বিরুদ্ধেই প্রাণ নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। আর এখন একটি অডিও সামনে আসায় গোটা তদন্তের মোড় ঘুরে গিয়েছে। অডিওতে তিনি নিজের পরিবারের সদস্যদেরই এই ভয়াবহ পদক্ষেপের জন্য দায়ী করেছেন। আসুন, জেনে নেওয়া যাক গোটা ঘটনা।
একটি অডিও বদলে দিল মামলার গতিপ্রকৃতি:
টিভি ৯-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুলিশের তদন্তে মোবাইল ফোন থেকে পাওয়া একটি অডিও গোটা তদন্তের গতিপথ বদলে দিয়েছে। মৃত মহেশের মোবাইল ফোন থেকে পাওয়া কথিত অডিওতে তিনি তাঁর পরিবারের এই পরিস্থিতির জন্য কয়েকজন ঘনিষ্ঠ ও পরিচিত ব্যক্তিকে সরাসরি দায়ী করেছেন। অডিওটি সামনে আসার পর খুন বা বিষপ্রয়োগের পরিবর্তে ‘গণআত্মহত্যা’র আশঙ্কা অনেকটাই বেড়েছে।
পুলিশ মোবাইল ফোনটি নিজেদের হেফাজতে নিয়ে অডিওটির সত্যতা এবং টাইমস্ট্যাম্প পরীক্ষা করতে শুরু করেছে। ঘটনার কতক্ষণ আগে রেকর্ডিংটি করা হয়েছিল, তা স্পষ্ট করতেই এই পদক্ষেপ।
এঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের:
এদিকে, মৃতা ললিতার ভাই আকাশের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে রাবুপুরা থানার পুলিশ মহেশের দুই বোন সুনীতা ও স্বপ্না এবং তাঁর এক ননদের বিরুদ্ধে নাম উল্লেখ করে এফআইআর দায়ের করেছে। অভিযোগ, তিন অভিযুক্ত মিলে দীর্ঘদিন ধরে মহেশ ও ললিতাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করছিলেন এবং সম্পত্তি বেআইনিভাবে দখল করতে চাইছিলেন।
পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ করে তিন অভিযুক্তকেই হেফাজতে নিয়েছে। তাঁদের একটি গোপন স্থানে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
শুধু তাই নয়, সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জমি অধিগ্রহণের বিনিময়ে পরিবারটি বিপুল পরিমাণ ক্ষতিপূরণের টাকা পেয়েছিল। সেই অর্থের ভাগ-বাঁটোয়ারা নিয়েই দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিবাদ চলছিল।
তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালে মহেশের বড় ভাই রাহুলও পারিবারিক অশান্তিতে অতিষ্ঠ হয়ে ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছিলেন। ওই পুরনো ঘটনার সঙ্গে বর্তমান মামলার যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
(Feed Source: news18.com)