উচ্চশিক্ষায় বছরে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত স্কলারশিপ! দ্বাদশের ফলের ভিত্তিতে মিলবে সুযোগ, কারা করবেন আবেদন?

উচ্চশিক্ষায় বছরে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত স্কলারশিপ! দ্বাদশের ফলের ভিত্তিতে মিলবে সুযোগ, কারা করবেন আবেদন?

 

কী এই PM-USP স্কলারশিপ?

কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের উচ্চশিক্ষা দফতরের অধীনে এই প্রকল্প পরিচালিত হয়। উচ্চ মাধ্যমিক বা দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে পড়ুয়াদের স্কলারশিপ দেওয়া হয়। উচ্চশিক্ষার সময় পড়ুয়াদের দৈনন্দিন খরচের একটি অংশ মেটাতে আর্থিক সহায়তা দেওয়াই এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য।

বছরে কত জন পড়ুয়া পাবেন স্কলারশিপ?

এই প্রকল্পের আওতায় প্রতি বছর সর্বাধিক ৮২ হাজার নতুন স্কলারশিপ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর স্তরে পড়াশোনার পাশাপাশি মেডিক্যাল, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো পেশাদার কোর্সে পড়াশোনা করা পড়ুয়ারাও এই প্রকল্পের আওতায় আসতে পারেন।

স্কলারশিপের পরিমাণ কত?

PM-USP স্কলারশিপ প্রকল্পের আওতায় পড়ুয়াদের পড়াশোনার স্তর ও কোর্সের মেয়াদ অনুযায়ী আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।

স্নাতক স্তরে: কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার প্রথম তিন বছর প্রতি বছর ১২,০০০ টাকা করে স্কলারশিপ দেওয়া হয়।

স্নাতকোত্তর স্তরে: প্রতি বছর ২০,০০০ টাকা করে স্কলারশিপ দেওয়া হয়।

পাঁচ বছরের পেশাদার বা ইন্টিগ্রেটেড কোর্সে: চতুর্থ ও পঞ্চম বছরে প্রতি বছর ২০,০০০ টাকা করে দেওয়া হয়।

প্রযুক্তিগত কোর্সে: B.Tech বা B.Engg-এর মতো কোর্সের ক্ষেত্রে স্নাতক স্তর পর্যন্ত স্কলারশিপ পাওয়া যায়। প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বছরে প্রতি বছর ১২,০০০ টাকা এবং চতুর্থ বছরে ২০,০০০ টাকা দেওয়া হয়।

এই স্কলারশিপ পাওয়ার জন্য পড়ুয়াদের কয়েকটি নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হবে।

দ্বাদশ শ্রেণির ফলাফল: ১০+২ পদ্ধতিতে দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষায় সংশ্লিষ্ট বিভাগে সফল পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ৮০তম পার্সেন্টাইলের উপরে থাকতে হবে।

নিয়মিত পড়াশোনা: আবেদনকারীকে নিয়মিত ডিগ্রি কোর্সে পড়াশোনা করতে হবে।

স্বীকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: পড়ুয়াকে AICTE এবং সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার স্বীকৃত কলেজ বা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করতে হবে।

পারিবারিক আয়: আবেদনকারীর বাবা-মা বা পরিবারের মোট বার্ষিক আয় ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার বেশি হওয়া চলবে না।

স্কলারশিপ নবীকরণ: পরবর্তী বছরগুলিতে স্কলারশিপ চালু রাখতে বার্ষিক পরীক্ষায় অন্তত ৫০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। পাশাপাশি, ক্লাসে উপস্থিতির হার কমপক্ষে ৭৫ শতাংশ হতে হবে।

ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট: পড়ুয়ার নিজের নামে আধার-সংযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে।

আবেদনের আগে কী জানা জরুরি?

স্কলারশিপের নির্দিষ্ট যোগ্যতা, আবেদনের সময়সীমা, প্রয়োজনীয় নথি এবং অর্থের পরিমাণ জানতে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের সরকারি নির্দেশিকা দেখে নেওয়া জরুরি। আবেদনের আগে সমস্ত শর্ত ভালো করে যাচাই করে নেওয়া উচিত।

ভূমিকাটি আরও সংক্ষিপ্ত ও খবরধর্মী করিপরিশ্রমী পড়ুয়াদের বদলে মেধাবী লিখি

(Feed Source: news18.com)