Court About CJP Leaders: ‘আইনকে কোনও সম্মান দেয় না..,’ আদালতের কথায়, ইচ্ছে করেই শান্তিরক্ষার ‘বন্ড’ ভেঙেছে সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কা

Court About CJP Leaders: ‘আইনকে কোনও সম্মান দেয় না..,’ আদালতের কথায়, ইচ্ছে করেই শান্তিরক্ষার ‘বন্ড’ ভেঙেছে সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কা

SEM ঋতু রাজ পর্যবেক্ষণ করেন, গত ১১ অক্টোবর অন্য এক ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে তাঁরা যে মুচলেকা দিয়েছিলেন, তা ইচ্ছাকৃতভাবে লঙ্ঘন করেছেন। শুধু তাই নয়, এর পরেই এই মামলায় তাঁরা শান্তিভঙ্গের ঘটনা ঘটিয়েছেন।

পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজত শেষে সোমবার দু’জনকে আদালতে পেশ করা হয়। পাশাপাশি, তাঁদের আইনজীবীকে দু’দিনের মধ্যে লিখিত বক্তব্য জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তদন্তকারী আধিকারিককেও সেই বক্তব্যের আগাম প্রতিলিপি দিতে বলা হয়েছে।

ফের একই অপরাধ করবেন না, এই আশ্বাসে সন্তুষ্ট নয় আদালত৷

আদালত জানিয়েছে, ভবিষ্যতে আর একই অপরাধ করবেন না বলে অভিযুক্তরা যে আশ্বাস দিয়েছেন, তাঁদের আচরণ এবং তদন্তকারী আধিকারিকের পেশ করা নথিপত্রের ভিত্তিতে সেই আশ্বাসে ভরসা করা যাচ্ছে না।

SEM ঋতু রাজ বলেন, “তাৎক্ষণিকভাবে শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা, অভিযুক্তদের অতীত আচরণ এবং দু’পক্ষের বক্তব্য বিবেচনা করে তাঁদের লিখিতভাবে নিজেদের বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দেওয়া উচিত।”

আদালত আরও জানিয়েছে, হেফাজতের মেয়াদ বাড়ানোর জন্য পুলিশের আবেদনের সঙ্গে যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ রয়েছে। সেই নথিপত্র থেকে শান্তিভঙ্গ এবং জনশান্তি বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগের কারণ রয়েছে।

SEM ঋতু রাজের পর্যবেক্ষণ, “আমি মনে করি, অভিযুক্তরা ১১.১০.২০২৬ তারিখে দক্ষিণ-পশ্চিম জেলার SEM-এর সামনে দেওয়া মুচলেকা ইচ্ছাকৃতভাবে লঙ্ঘন করেছেন এবং তার পরেই এই মামলায় শান্তিভঙ্গ করেছেন।”

মুক্তির আবেদন জানালেন অভিযুক্তদের আইনজীবীরা

সৌরভ দাস ও আশুতোষ রান্কার হয়ে আইনজীবী পুষ্প শর্মার সঙ্গে আদালতে সওয়াল করেন অভীক চিমনি। তাঁরা দু’জনের অবিলম্বে মুক্তির আবেদন জানান। প্রতিরক্ষা পক্ষের যুক্তি, ১০ অক্টোবরের পর তাঁরা আর কোনও বিক্ষোভের ডাক দেননি। তাই ফের একই ধরনের অপরাধ ঘটানোর আশঙ্কার কোনও কারণ নেই। দু’জনই ব্যক্তিগতভাবে যন্তর মন্তরে গিয়েছিলেন বলেও আদালতে জানানো হয়।

তবে অভিযুক্তদের জামিনদার হিসেবে প্রস্তাবিত ব্যক্তিদের উপযুক্ত বলে মনে করেনি আদালত।

তীরথ নামে এক জামিনদার মুচলেকায় থাকা তাঁর ছবির সঙ্গে আধার কার্ডের ছবির অমিলের ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। এমনকী, অন্য কোনও বৈধ পরিচয়পত্রও তিনি পেশ করতে পারেননি। অন্যদিকে, সৌরভ দাসের জামিনদার হিসেবে দাঁড়ানো মান্নু রাজ আনন্দ সৌরভ সম্পর্কে প্রাথমিক তথ্যও দিতে ব্যর্থ হন।

আদালতের পর্যবেক্ষণ, ওই দুই জামিনদারের কেউই অভিযুক্তদের আদালতে হাজিরা নিশ্চিত করতে পারবেন বলে মনে হচ্ছে না। তাই নতুন করে উপযুক্ত জামিনদার পেশ করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

(তথ্যসূত্র: ANI)

(Feed Source: news18.com)