Science And Technology
oi-Tamalika Chakraborty
ব্রিটেন, আমেরিকা ও জার্মানির বিজ্ঞানীদের একটি দল হার্ট অ্যাটাক, ক্যান্সারের মতো অসংক্রমক রোগগুলো দ্রুত নির্ধারণের জন্য একটি নতুন ব্যবহারযোগ্য পরীক্ষা আবিষ্কার করেছে। যার ফলে দ্রুত ক্যান্সার, হার্ট অ্যাটাকের মতো পরীক্ষার ফল দ্রুত পাওয়া যাবে। যার ফলে দ্রুত চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া সম্ভব হবে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, CrisprZyme নামক এই পরীক্ষার সাহায্যে শরীরে বায়োমার্কার নামে আনবিক সঙ্কেত শনাক্ত করতে সাহায্য করবে। ইতিমধ্যে করোনা পরীক্ষার ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে।
অসংক্রমাক রোগের ক্ষেত্রে বায়োমার্কার পরীক্ষা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে বলে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন। রক্তে নির্দিষ্ট অ্যান্টিজেন অনেক সময় প্রস্টেট ক্যানসারের উপস্থিতি শনাক্ত করতে সাহায্য করবে বায়োমার্কার। আরএনএ বা ডিএনএ এর উপর ভিত্তি করে পরীক্ষার ক্ষেত্রে অনেক সময় নির্দিষ্ট তাপমাত্রার প্রয়োজন হয়। একাধিক ধাপে সেই পরীক্ষা করা হয়। কিন্তু অনেক সময় উপযুক্ত পরিকাঠামো না থাকার জন্য এই ধরনের পরীক্ষা করা সম্ভব হয় না। সীমিত পরিকাঠামোয় CrisprZyme পরীক্ষার সাহায্যে ক্যানসার, হার্ট অ্যাটকের মতো একাধিক রোগের পরীক্ষা করা সম্ভব হবে।
ইম্পেরিয়াল ইউনিভার্সিটির ম্যাটেরিলাস বিভাগের অধ্যাপক মার্টা ব্রোটো জানিয়েছেন, এই পরীক্ষা পদ্ধতির ফলে উন্নয়নশীল দেশগুলোর একাধিক ক্লিনিক্যাল সেন্টারে এই ধরনের পরীক্ষার সুযোগ বাড়বে। যার ফলে সাধারণ মানুষকে অপেক্ষা করতে হবে না। পরিকাঠামো উন্নত না হলেও ক্যান্সারের মতো পরীক্ষা করা সম্ভব হবে। CrisprZyme পরীক্ষার সাহায্যে প্রসাব বা রক্তের মতো জৈবিক তরল থেকে বায়োমার্কার আরএনএ-কে শনাক্ত করতে পারে, ম্যাসেঞ্জারে যা প্রোটিন তৈরি করতে সাহায্য করে। তিনি জানিয়েছেন, CrisprZyme একটি পদ্ধতি, যা সহজে শরীরে উপস্থিত বায়োমার্কারের পরিমাপ নির্ধারণ করতে সাহায্য করে।
‘অজিত পাওয়ার প্রয়োজনমতো ভুলে যান…’ মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ ইস্যুতে প্রতিক্রিয়া দেবেন্দ্র ফড়নবীশের
নেচার ন্যানোটেকনোলজি জার্নালে এই গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে জানানো হয়েছে, এই পরীক্ষার সাহায্যে একাধিক প্রতিবন্ধকতা দূর করে একটি নমুনায় কতটা বায়োমার্কারের উপস্থিতি রয়েছে, তা নির্ধারিত করতে সাহায্য করে। ইম্পেরিয়াল ইউনিভার্সিটির ম্যাটেরিলাস বিভাগের অধ্যাপক মার্টা ব্রোটো জানিয়েছেন, এই পরীক্ষার জন্য আরও গবেষণার প্রয়োজন। তারপরেই সাধারণ মানুষের পরীক্ষার জন্য এই পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে। তিনি মনে করছেন, করোনা পরীক্ষা জন্য বর্তমানে যেমন বিশেষ কোনও ল্যাবরেটরির প্রয়োজন হয় না, সেই রকম এই পরীক্ষার জন্য বিশেষ কোনও পরীক্ষাগার, বিশেষ তাপমাত্রার প্রয়োজন হবে না। যে কোনও পরীক্ষাগারে এই পরীক্ষা করা সম্ভব হবে।
(Source: oneindia.com)