
#কলকাতা: ওজন কমাতে ডায়েট গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু অনেকেই আছেন যাঁরা খাওয়াদাওয়া বন্ধ করে দিতে পারলে শান্তি পান। এতে আদৌ কোনও লাভ হয় না। খাবারকে খলনায়ক না ভেবে বরং খাবারের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে হবে। সেটা কীরকম? কোনটা কখন খাওয়া উচিত এবং কতটা পরিমাণে সেটা জানা-বোঝা গুরুত্বপূর্ণ। বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে খাওয়াদাওয়া করলে সেই খাদ্য সারাদিন অফুরন্ত এনার্জি যোগানোর পাশাপাশি ওজন কমাতে সাহায্য করবে। ওজন কমানোর জন্য খাবারের সঙ্গে পানীয়ের কম্বিনেশনও গুরুত্বপূর্ণ। এখানে তারই হদিশ দেওয়া হল।
জলখাবারে ডিম এবং কফি: ডিম এবং কফির কম্বো এনার্জি যোগানোর পাশাপাশি ওজন কমাতেও সাহায্য করবে। ডিম বিপাককে বাড়ায় কারণ প্রোটিন হজম করার জন্য শরীরকে আরও শক্তি ব্যবহার করতে হয়। এটা দীর্ঘ সময়ের জন্য পেট ভর্তি রাখে, ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার সম্ভাবনা রোধ করে। কফিও বিপাক বৃদ্ধি করার পাশাপাশি ফ্যাট বার্নকে উদ্দীপিত করে ওজন কমাতে সাহায্য করে। তবে দুধ, চিনি ছাড়া কালো কফি পান করতে হবে। একই ভাবে মাখনের মতো অতিরিক্ত ক্যালোরিযুক্ত উপাদান ছাড়াই ডিম রান্না করা উচিত।
মধ্যাহ্নভোজে গ্রিলড ফিশ এবং গ্রিন টি: এটাও দুর্দান্ত কম্বো। ডিমের মতো, গ্রিলড মাছ প্রোটিনের কারণে কয়েক ঘন্টার জন্য বিপাককে বাড়িয়ে তুলতে পারে। পাশাপাশি দীর্ঘ সময়ের জন্য পেট ভর্তি রাখতে সাহায্য করে। গ্রিন টি এনার্জির মাত্রাকে বাড়িয়ে দেয়। ব্যায়ামের সময় কর্মক্ষমতা বাড়াতেও এর জুড়ি নেই। গ্রিন টি-তে প্রচুর পরিমাণে ক্যাটাচিন রয়েছে। এটা এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ফ্যাট বার্ন করতে এবং বিপাক বাড়াতে সাহায্য করে।
বিকেলের স্ন্যাক্সে দই এবং বেরি, সঙ্গে জল: সন্ধ্যের জলখাবারের জন্য এটা আদর্শ। দই প্রোটিনে পূর্ণ। অন্ত্র ভাল রাখে। বেরি ফাইবার সমৃদ্ধ। খেতেও সুস্বাদু। শরীরকে হাইড্রেটেড করার জন্য এর সঙ্গে যোগ করতে হবে ঠান্ডা জল। এর সঙ্গে শসা বা পুদিনা পাতাও যোগ করা যায়।
নৈশভোজে বাদাম এবং বিনের স্যালাড, সঙ্গে আদা চা: বাদাম, বিন, কালো মটরশুটি এবং ছোলা দিয়ে তৈরি এই স্যালাড প্রোটিনে ভরপুর। কালো মটরশুঁটিতে উচ্চ হারে ফাইবার থাকার কারণে হজমের জন্য দুর্দান্ত। ফলে ওজনও কমায়। স্যালাডের সঙ্গে আদা চা নিখুঁত জুড়ি। বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে, আদা ক্ষুধা হ্রাস করে এবং বিপাক বাড়ায়। বহুক্ষণ পেট ভরা রাখতেও সাহায্য করে।
