ভারত-বাংলাদেশের লাইনে ছিল বিধাননগর রোড স্টেশন, লুকিয়ে আছে অসংখ্য ইতিহাস

ভারত-বাংলাদেশের লাইনে ছিল বিধাননগর রোড স্টেশন, লুকিয়ে আছে অসংখ্য ইতিহাস

কলকাতা-কুষ্টিয়া রেলপথের অংশ ছিল অধুনা বিধাননগর রোড স্টেশন। যে কুষ্টিয়া বর্তমানে বাংলাদেশের অন্তর্গত। এখন অবশ্য বিধাননগর রোড স্টেশনের উপর দিয়ে বাংলাদেশগামী ট্রেন চলে না। তবে কলকাতা স্টেশন থেকে মৈত্রী এবং বন্ধন এক্সপ্রেস চলে। যা বিধাননগরের কাছেই অবস্থিত।

গত শুক্রবার পূর্ব রেলের তরফে একটি ফেসবুক পোস্টে বলা হয়েছে, ‘১৮৬২ সালে ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ের তৈরি উল্টোডাঙা হল্ট স্টেশনটি একটা সময় ছিল কলকাতা-কুষ্টিয়া রেলপথের অংশ। যদিও স্বাধীনতার পর কুষ্টিয়া অধুনা বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত হয়। পরবর্তীকালে এই স্টেশনের নামকরণ হয় পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা কিংবদন্তী চিকিৎসক বিধানচন্দ্র রায়ের নামে।’

সেই পোস্টে বিধাননগর রোড স্টেশনে যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যের কোনও অভাব নেই বলে দাবি করা হয়েছে। ওই পোস্টে বলা হয়েছে, ‘বর্তমানে পূর্ব রেলের শিয়ালদা বিভাগের অন্তর্গত এই স্টেশনটি শিয়ালদা ডিভিশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং ব্যস্ত রেলওয়ে স্টেশন। শিয়ালদা থেকে এই স্টেশনের দূরত্ব মাত্র চার কিমি। স্টেশনে প্ল্যাটফর্ম শেড, ফুট ওভারব্রিজ, সাবওয়ে, পানীয় জল-সহ যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যের নানা পরিষেবা আছে।’

যদিও যাত্রীদের একাংশ তাতে একেবারেই সহমত প্রকাশ করেননি। বরং অনেকেই পরিষেবা নিয়ে সমালোচনা করতে ছাড়েননি। এক নেটিজেন লেখেন, ‘ছাতার মাথা আছে। ঘণ্টা আছে।’ অপর একজন বলেন, ‘শিয়ালদা যাওয়ার ট্রেনের ঘোষণা করা হয় না। কোন প্ল্যাটফর্মে ট্রেন আসছে, তা দেখার জন্য ফুটব্রিজে উপর উঠে তীর্থের কাকের মত চেয়ে থাকতে হয়। বয়স্ক, অসুস্থ, বাচ্চাদের নিয়ে ঝুঁকি নিয়ে দৌড়াতে হয়।’ একইসুরে ওই নেটিজেন অভিযোগ করেন, ‘এটা ভুল কথা যে প্ল্যাটফর্মে সম্পূর্ণ শেড আছে। শেড সম্পূর্ণ না থাকায় বর্ষার সময়ে আর গরমের সময়ে সবচেয়ে বেশি মানুষের অসুবিধা হয়। রেল কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হচ্ছে যে দ্রুত সম্পূর্ণ শেড করা হোক।’