
#কলকাতা: ইডি মেটিয়াব্রুজের আমির খানের সম্পর্কে বেশ কিছু নয়া তথ্য পেয়েছে। আমির খানের বাড়িতে কোটি কোটি টাকা এল কী করে? ইডি সূত্রে খবর, আমির কল সেন্টারে থাকাকালীন অ্যাপস তৈরি করেছিল।
আমির আগে চাকরি করতেন কল সেন্টারে। আমির টেক স্যাভি ছিল। তখনই অ্যাপস তৈরির আইডিয়া মাথায় আসে তার। আমির কল সেন্টারে কাজ করার পর নিজের কল সেন্টার খোলেন।
কল সেন্টারের পাশাপাশি ২০১৯ সালে গেম অ্যাপস চালু করে। ইডির নজর এবার ফেডারল ব্যাংকের রাজারহাট শাখার একাউন্টে। তবে এই একাউন্ট ছাড়াও আরও কোথায় কোথায় অ্যাপস গেমের টাকা জমা হত, সেই তথ্য জানতে চায় ইডি।
রাজারহাটে একাউন্টে জমা পড়ত অ্যাপস গেমের টাকা। ওই ব্যাংক একাউন্ট কার নামে ছিল, সেই তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে ব্যাংকের থেকে।ইডি নজর আমিরের বিদেশ যাত্রায়। টাকা পাচারের জন্য কি বিদেশ যাত্রা?
ইডি সূত্রে খবর, একাধিকবার বিদেশ যাত্রা করেছিল আমির। অভিবাসন দফতর থেকে সেই তথ্য চাইবে ইডি। দুবাইতে যাওয়ার লিংক পাওয়া গিয়েছে। আমিরের সব ব্যাংক একাউন্ট-এর তথ্য খতিয়ে দেখছে ইডি।
বিদেশে বার বার কেন যেত আমির? খতিয়ে দেখছে ইডি। কল সেন্টার থেকে গেম অ্যাপস চালু করে আমির। কিন্তু আমির কোথায় তার খোঁজ করছে ইডি। পার্কস্ট্রিট থানায় ২০২১ সালে কোর্টের নির্দেশে অভিযোগ দায়ের হয়।
আমির খানের বিরুদ্ধে প্রতারণা, ষড়যন্ত্র সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে। 420, 406, 409, 468., 469, 471,34 ipc ধারায় মামলা রুজু হয়। আমির খান ও অন্যদের বিরুদ্ধে পার্কস্ট্রিট থানায় অভিযোগ হয়।
আমীরের বাড়ি থেকে এখনো পর্যন্ত ১৭ কোটি ৩২ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে। তার উৎস শুধুই মোবাইল অ্যাপস গেম নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনো চক্র? খতিয়ে দেখছে ইডি।
২০২১ সালেী ১৫ ফেব্রুয়ারি পার্ক স্ট্রিট থানায় প্রথম আমির ও অন্যদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়। ইডি শনিবার মেটিয়াব্রুজ সহ একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে বিপুল টাকা উদ্ধার করেছে।
অর্পিতা হাজরা
