
পুজোর ছুটিতে বেড়িয়ে আসুন পাত্রাতু ভ্যালি
পুজোর ছুটির শেষ মুহূর্তে ভাবতে বসেছেন কোথায় বেড়াতে যাবেন? তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছে ঝাড়খণ্ডের পাত্রাতু ভ্যালি। পাশের রাজ্য ঝাড়খণ্ডে রয়েছে এই পাত্রাতু ভ্যালি। একে দ্বিতীয় মানালিও বলা হয়ে থাকে। সবুজ পাহাড় থেকে জঙ্গল-ঝরনা, পাত্রাতু লেক সব রয়েছে এখানে। মনোরম পরিবেশ হিলস্টেশন মানালির কথা স্মরণ করিয়ে দেবে। একাধিক দেখার জায়গা রয়েছে এই পাত্রাতু ভ্যালিতে। তিন দিনের ছুটিতে অনায়াসে কাটিয়ে আসা যায় পাত্রাতু ভ্যালি।

কী কী দেখার আছে
রাঁচি থেকে যেত হয় পাত্রাতু ভ্যালি। আগে থেকে যে হোটেল বুক করে যেতে হবে এমন কোনও কথা নেই। রাঁচি থেেক পাত্রাতু ভ্যালির দূরত্ব মাত্র ৪০ কিলোমিটার। এখানকার মূল আকর্ষণ পাত্রাতু হ্রদ। যাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে একাধিক পর্যটন কেন্দ্র। সেখানে রিসর্টও রয়েছে। রয়েছে একাধিক ওয়াটার স্পোর্টসের ব্যবস্থা। আবার পাত্রাতু লেকে বোডিংয়েরও ব্যবস্থা রয়েছে। সেখানে বোটিংও করা যায়। তবে সবচেয়ে আকর্ষনীয় বিষয় হল এখানকার পরিবেশ মন ভরিয়ে দেবে। রাঁচি থেকে পাত্রাতু ভ্যালি যাওয়ার পথ অত্যন্ত মনোরম।

কাছে পিঠে কী কী দেখার আছে
পাত্রাতু ভ্যালিই যে শুধু দেখা যাবে এমন নয়। পাত্রাতু ভ্যালি থেকে রাজরাপ্পা বেড়িয়ে আসা যায়। দেখাযাবে জোহান ফলস, হুড্রু ফলস, রাজরাপ্পার বিখ্যাত ছিন্নমস্তা মন্দির। অসমের কামাখ্যা মন্দিরের আদলে তৈরি করা হয়েছে এই মন্দির।ভৈরবী নদী আর দামোদর নদের সঙ্গমস্থলে তৈরি হয়েছে এই মন্দির। কাছে পিঠে ঘুরেআসতে চাইলে চলে আসতে পারেন নেতারহাটে। সেখানে একদিন থেকে জঙ্গল সাফারি করতে পারেন। জলদাপাড়ার মতই হাতির পিঠে চড়ে জঙ্গল সাফারি করার সুযোগ রয়েছে এখানে।

কী ভাবে যাবেন
পাত্রাতু ভ্যালি যেতে খুব বেশি ট্রেন বুকিংয়ের প্রয়োজন নেই। এক বেলার ট্রেন যাত্রাতেই পৌঁছে যাওয়া যায় পাত্রাতু ভ্যালিতে। রাঁচি থেকে সড়ক পথে ৪০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে পত্রাতু ভ্যালি। রাঁচি স্টেশন থেকে অসংখ্য গাড়ি ছাড়ে। সেখানে অসংখ্য হোটেলও রয়েছে। চাইলে েনট ঘেঁটে হোটেল বুক করে িনতে পারেন। আবার সেখানে গিয়েও বুক করতে পারেন হোটেল।
