
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: সত্যিই কি কাঁটার গদি? কদিন ধরেই চলছিল সংকট। অবশেষে পদত্যাগ করলেন লিজ ট্রাস। অর্থনৈতিক সংকটের কারণেই পদত্যাগ করতে বাধ্য হলেন বলে জানিয়েছেন লিজ ট্রাস। এর ফলে ঋষি সুনাকের কি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ছে? অন্তত তেমনই মনে করছে ব্রিটেনের রাজনৈতিক মহলের একাংশ। জানা গিয়েছে মূলত, কর ব্যবস্থার অচলাবস্থার জেরেই এই সংকট ঘনিয়েছে। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, কস্ট-অফ-লিভিং বেড়ে যাওয়ার ফলে জীবনযাপন খুবই খরচসাপেক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে সেখানে। ফলে বিভিন্ন মহলে ক্ষোভ বাড়ছিল। আর এসবের মোকাবিলা করতে নিজেকে ব্যর্থ প্রতিপন্ন করলেন সদ্য বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস। গত ৬ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন ট্রাস।
শুরু থেকেই লিজ ট্রাসের সরকার নানা সংকটের মুখোমুখি। এক সপ্তাহের কম সময়ের মধ্যে এই নিয়ে দুজন মন্ত্রী সরকার ছাড়লেন। প্রথমে ছাড়লেন অর্থমন্ত্রী, পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। লিজ জানিয়েছিলেন, অর্থনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে ওঠা বিতর্ক সামলাতেই অর্থমন্ত্রী কোয়াসি কোয়ারতেংকে সরিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছিলেন তিনি। নতুন অর্থমন্ত্রী হিসেবে জেরেমি হান্টকে নিয়োগ করা হয়েছিল।
তবে কোণঠাসা হয়ে পড়া ট্রাসের উপর বেশি চাপ বাড়িয়েছে সুয়েল্লা ব্রেভারম্যানের পদত্যাগ। এক সহকর্মীকে ব্যক্তিগত ই-মেইল অ্যাকাউন্ট থেকে বিভাগীয় নথি পাঠানোর পরই বিতর্ক তৈরি হয় সুয়েল্লাকে নিয়ে। এরই জেরে পদত্যাগ করার কথা ঘোষণা করেন সুয়েল্লা। ওই ঘটনাকে তিনি প্রযুক্তিগত বিধি লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছেন। বুধবার প্রধানমন্ত্রীকে লেখা এক পদত্যাগপত্রে সুয়েল্লা বলেছিলেন, ট্রাসের সরকার যে পথে এগোচ্ছে, তা নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন। সরকারকে বিশৃঙ্খল সময় সামাল দিতে হচ্ছে। সুয়েল্লা বলেন, আমি ভুল করেছি। আমি তার দায় নিচ্ছি এবং পদত্যাগ করছি। জবাবে সুয়েল্লাকে লেখা চিঠিতে ট্রাস বলেছেন, মন্ত্রিসভার গোপনীয়তার প্রতি সম্মান জানানো গুরুত্বপূর্ণ। আপনার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছি। আপনি যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তার প্রতি সম্মান জানাই। সুয়েল্লার জায়গায় প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী গ্রান্ট শ্যাপসকে নিয়োগ করা হয়েছে।
(Feed Source: zeenews.com)
