
#বর্ধমান: ফাঁকি দিতে গিয়েছিল জহুরির চোখকেও। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না। হলমার্ক লেখা বিল দেখিয়েও পার পেল না দুই প্রতারক। আসলের নামে নকল সোনার গয়না বদল করতে গিয়ে ধরা পড়ে গেল তারা। বর্ধমানের বড়বাজারের সোনাপট্টিতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যে সৃষ্টি হয়েছে। এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীর অভিযোগের ভিত্তিতে ওই দু’ জনকে গ্রেফতার করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের নাম জিতেন্দ্রনাথ মিশ্র ও নির্মল সাউ। জিতেন্দ্রর বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের এগরা থানার কসবায় ও নির্মলের বাড়ি এগরা থানারই বারিদায়। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানতে পেরেছে, দু’ জনেই প্রতারণা চক্রে জড়িত। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা কারা জড়িত, তা জানতে ধৃতদের বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
জানা গিয়েছে, বর্ধমানের জহুরিপট্টির একটি দোকানে জিতেন্দ্র ও নির্মল যায়। দোকান মালিক তারকনাথ দে জানান, প্রায় ৫০ গ্রাম ওজনের পুরনো গয়না দেখায় তারা। সেটার বদলে নতুন গয়না নেবে বলে জানায় ওই দু’ জন। তারকবাবু তাঁদের কাছে ওই গয়নার বিল দেখতে চান। তখন একটি বিলও দেয় তারা। প্রথমে সন্দেহ করেননি তিনি। এর পর নতুন গয়না পছন্দ করে ওই দু’ জন। তবে সেটা হাতে তুলে দেওয়ার আগে একটু সন্দেহ হয় তারকবাবুর।
আরও পড়ুন: হাতের সব আঙুল ছিন্নভিন্ন, জটিল অস্ত্রোপচারে সাফল্য কলকাতার হাসপাতালে
তিনি বলেন, সন্দেহ হওয়ায় পুরনো গয়না পরীক্ষা করি। তখনই বুঝতে পারি নকল সোনা দিতে এসেছে। ওই দু ‘ জনকে আটকে রাখা হয়। আমাদের সংগঠনকে জানানো হয়। ওই দু’ জনের কাছে জানতে চাওয়া হয় তাদের বাড়ি কোথায়৷ কিন্তু তারা কিছুই বলছিল না। চুপ করে ছিল।
এর পরই তারকবাবু বর্ধমান থানায় ফোন করে পুরো বিষয়টি জানান। পুলিশ গিয়ে ওই দু’ জনকে আটক করে। তারকবাবু পরে পুলিশে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে পুলিশ ওই দু’ জনকে গ্রেফতার করে। তাদের কাছ থেকে নকল সোনার গয়না ও ভুয়ো বিল বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।
