Hero Alom: ‘আমাকে জোর করে হারানো হয়েছে কারণ, আমি জিতলে বাংলাদেশের সম্মান যাবে’

Hero Alom: ‘আমাকে জোর করে হারানো হয়েছে কারণ, আমি জিতলে বাংলাদেশের সম্মান যাবে’

Hero Alom, Bangladesh, জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: বুধবার দুপুরে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র ঘুরে হিরো আলম সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘সদরের বগুড়া-৬ কেন্দ্র সব দখল হয়ে গেছে। ডিসি-এসপিক কেউ কোনো কাজ করছে না। সদরের আশা সব শেষ।’ ঐ কেন্দ্র থেকে জেতার আশা ছেড়ে দিলেও বগুড়া-৪ আসনের ভোট নিয়ে হিরো আলম বলেছিলেন, ‘কাহালু-নন্দীগ্রামের অনেক কেন্দ্র ঘুরে ঘুরে দেখছি। ভোট খুব সুষ্ঠু হচ্ছে। মাঠের অবস্থা খুবই ভালো। কাহালু-নন্দীগ্রামের নিশ্চিত এমপি হচ্ছি।’ কিন্তু সেই আশা বৃথা গেল অভিনেতা-গায়ক হিরো আলমের। দুই কেন্দ্র থেকেই পরাজিত হলেন তিনি।

ভোট শেষ হওয়ার পর বগুড়া-৪ আসনের বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে একের পর এক হিরো আলমের এগিয়ে থাকার খবর পাওয়া যাচ্ছিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় হিরো আলমকে এমপি হিসেবে আগাম শুভেচ্ছা জানাচ্ছিলেন অনেকেই। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ঘোষণা এল, বগুড়া-৪ আসনে মহাজোটের প্রার্থী এ কে এম রেজাউল করিম তানসেনের কাছে ৮৩৪ ভোটের ব্যবধানে হেরে গেছেন হিরো আলম। গান, অভিনয়ের পর এবার ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন বাংলাদেশের বিতর্কিত শিল্পী হিরো আলম। বাংলাদেশে বগুড়ায় উপ-নির্বাচনে দুটি আসনে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন হিরো আলম। কোনও পার্টির হয়ে নয়, তিনি ভোটে দাঁড়িয়েছেন নির্দল প্রার্থীরূপে। বগুড়া ৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) এবং বগুড়া-৬ (সদর) দুই আসনেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি।

যে দুই কেন্দ্রে আলম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন তার মধ্যে বগুড়া-৪ আসনের ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন মোট ৯ জন। সেই আসনে আওয়ামী লীগ ১৪ দলীয় জোট থেকে জাসদ প্রার্থীকে সমর্থন দিয়েছিল। এর বাইরে পাঁচজন নির্দল প্রার্থী ছিল। যাদের মধ্যে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন সাবেক বিএনপি কামরুল হাসান সিদ্দিকি জুয়েল। ট্রাক প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন আওয়ামী লীগ নেতা মহম্মদ মোশফিকুর রহমান কাজল। সেখানেই আরেক প্রার্থী ছিলেন হিরো আলম। অন্যদিকে বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে মোট প্রার্থী ছিল ১১ জন। তার মধ্যে পাঁচজন ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী। এদের মধ্যে ট্রাক প্রতীকের আব্দুল মান্নান আকন্দ সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা। এছাড়াও উপনির্বাচনে এই দুই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন হিরো আলম। ভোটগ্রহণের দিন হিরো আলমের চোখে মুখে দেখা গিয়েছিল আত্মবিশ্বাস। তবে বৃহস্পতিবার দুটি আসনেই পরাজিত হয়েছেন হিরো আলম।

বৃহস্পতিবার নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পর অভিনেতা বলেন, ‘বগুড়া-৪ আসনে ভোট সুষ্ঠু হয়েছে। তবে ফলাফলে এসে গন্ডগোল করেছে। নির্বাচন কমিশন আমার বিজয় ছিনতাই করে মশালের প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করেছে।শিক্ষিত সমাজের কিছু লোক আছেন, যাঁরা আমাকে মেনে নিতে চান না। তাঁরা মনে করেন, আমি পাস করলে বাংলাদেশের সম্মান যাবে, তাঁদের সম্মান যাবে। আমরা এত শিক্ষিত, হিরো আলমের মতো মূর্খকে স্যর বলে ডাকতে হবে। এ জন্য তাঁরা আমাকে মানতে চান না।’ হিরো আলমের মতো তাঁদের একটি বিরাট অংশ বিশ্বাস করে, বগুড়া-৪ আসনে ভোট তুলনামূলক সুষ্ঠু হলেও ফল ঘোষণায় কিছু গন্ডগোল আছে।

(Feed Source: zeenews.com)