‘বাপীদা— সশরীরে তুমি আর নেই— কিন্তু…’ তাপস দাসের প্রয়াণে আবেগঘন পোস্ট রূপমের

‘বাপীদা— সশরীরে তুমি আর নেই— কিন্তু…’ তাপস দাসের প্রয়াণে আবেগঘন পোস্ট রূপমের

কলকাতা: দীর্ঘ লড়াই  শেষ হল। প্রয়াত মহীনের শেষ ঘোড়া। পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে অন্য সুরলোকে চলে গেলেন তাপস বাপি দাস। ফুসফুসের ক্যানসার তৃতীয় পর্যায় পৌঁছে গিয়েছে। হাসপাতালে প্রতি নিয়ত দুরারোগ্য ব্যাধির সঙ্গে লড়াই চালিয়েছিলেন তিনি। বাংলা রক ব্যান্ড মহীনের ঘোড়াগুলির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতার চিকিৎসার টাকা জোগানের জন্য পথে নেমেছিলেন শিল্পীরা। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। বাপি  শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন এস এস কে এম হাসপাতালে।

তাপস দাসের মৃত্য়ুতে শোকস্তব্ধ সঙ্গীতমহল। রূপম ইসলাম লেখেন, ‘এরকম কত বাঙ্ময় মুহূর্তই রয়ে গেল শুধু…

সচল হয়েই থেকে গেল গানজীবনের অনন্ত পথ চলা… থেমে গেল বললে ভুল হবে, মারাত্মক ভুল… বাপীদা— সশরীরে তুমি আর নেই— কিন্তু সর্বত্র এভাবেই তুমি থাকবে। লাল সেলাম। বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক।’

সকাল সাড়ে ন’টা নাগাদ হাসপাতালে মারা যান বাপি। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে শিল্পীর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। দিন কুড়ি আগে পর্যন্তও তাঁর সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছিল। কিন্তু শেষমেশ আর ফিরলেন না তিনি। দুরারোগ্য ব্যাধির কাছে পরাজয় স্বীকার করতে হল শিল্পীকে। শারীরিক অবস্থার বারবার অবনতির কারণে মাঝেমধ্যেই হাসপাতালে ভর্তি করা হচ্ছিল। কিন্তু এ বার আর তাঁর ফেরা হল না।

শিল্পীর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ট্যুইটে তিনি লেখেন, ‘তাপস দাসের (বাপিদার)  মৃত্যুতে শোকাহত। তিনি ভারতের প্রথম বাংলা রক ব্যান্ড ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’র সদস্য ছিলেন।’ শিল্পীর স্ত্রী, পরিবার, অনুরাগী এবং কাছের মানুষদের সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি।

বছরের শুরুতেই জানা যায়, ক্যানসারের চিকিৎসার জন্য কেমোথেরাপি চলছে তাপসের। ঠিক ভাবে খেতেও পারছিলেন না তিনি। ওজনও কমে গিয়েছিল। তাঁর বয়স প্রায় ৭০-এর কাছাকাছি। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, এসএসকেএম থেকে বাপির দেহ নিয়ে আসা হবে তাঁর বাসভবনে। শিল্পীর প্রয়াণে শোকের ছায়া সঙ্গীতজগতে।

(Feed Source: news18.com)