
কলকাতা: প্রকৃতি বাচঁলেই বাঁচবে সভ্যতা। বাঁচবে জীবন। আর এই বার্তা নিয়েই কলকাতায় চলছে ভারত-জাপান আদান প্রদানের এক অভিনব কর্মশালা। ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অফ ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট, এয়ার অ্যান্ড ওয়াটার (ISWMAW)-এর উদ্যোগে ইন্দো-জাপান সহযোগিতায় কলকাতা এসেছেন জাপানের একটি প্রতিনিধি দল।
গত কয়েকদিন শহর কলকাতা তথা রাজ্যের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখছেন জাপানের একটি প্রতিনিধি দল। পড়ুয়া থেকে অভিজ্ঞ পেশাদার, মিলিয়ে একুশ জনের এই প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সাধন ঘোষ। তাঁরাই বৃহস্পতিবার ঘুরে দেখলেন শহরের একটি অভিজাত আবাসন।
সোমবার ২৪ অগাস্ট ২০২৩ জাপানি প্রতিনিধিদের সঙ্গে এই উদ্যোগে সামিল হয়েছিলেন দক্ষিণ কলকাতার অভিদীপ্তা আবাসনের বাসিন্দারা। এ দেশের আবাসনে কী ভাবে থাকেন বাসিন্দারা? প্রকৃতি বাঁচাতে কী কী উদ্যোগ নেওয়া হয়? সেই সবই ঘুরে দেখলেন তাঁরা।
দারুণ উৎসাহে জাপানের ‘নতুন’ বন্ধুদের নিজেদের আবাসন ঘুরে দেখালেন অভিদীপ্তার আট থেকে আশি। কলকাতার আবাসনে জাপানের প্রতিনিধি দলের পড়ুয়াদের নানা প্রশ্নের উত্তর দিলেন আবাসনের কচিকাঁচা থেকে বড়রা। প্রসঙ্গত, ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অফ ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট, এয়ার অ্যান্ড ওয়াটার (ISWMAW)-এর তরফে আগামী দিনে কঠিন বর্জ্য নিষ্কাশন ও তা রূপান্তরের মাধ্যমে জৈবসার প্রক্রিয়াকরণ ও একই ধরণের কাজে অভিদীপ্তা আবাসনকে সাহায্যের প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে এই কর্মশালার শেষে।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুনর্ব্যবহারের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের লক্ষ্যে উদীয়মান সূর্যের দেশ থেকে আসা প্রতিনিধিদের আবাসনের মাঠ, ঘাট, নিকাশি ব্যবস্থা থেকে অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা, বর্জ্য নিষ্কাশন ব্যবস্থা, ঘুরে দেখানো হয় এদিন। কলকাতায় তাঁদের কর্মসূচীর একটি অংশ হিসাবে, কখনও দোভাষীর মাধ্যমে, কখনও ভাঙা ইংরেজিতে কথা বলে এ দেশের আবাসিক কমপ্লেক্সে মানুষের জীবনধারা বোঝার চেষ্টা করেন জাপান থেকে আসা প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। সব মিলিয়ে আদান প্রদানের যেন এক মিলনমেলা হয়ে ওঠে বৃষ্টিমাখা অগাস্টের সকাল।
