
#কলকাতা: দিল্লি যাচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দোপাধ্যায়। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিন ক্ষণ ঘোষণা হয়ে যাওয়ার পরে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর নিয়ে আগ্রহ রাজনৈতিক মহলে। সূত্রের খবর, আগামী সপ্তাহেই দিল্লি যেতে পারেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। আগামী মঙ্গলবার বিকেলে তিনি দিল্লি যেতে পারেন। বুধবার দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে বিরোধী জোটের বৈঠকে তিনি অংশ নিতে পারেন।
২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের আগে বিরোধী জোটকে একজোট করতে অনেক আগে থেকেই প্রচেষ্টা শুরু করেছেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। একাধিক সময়ে এই বিষয়ে তাঁর সঙ্গে বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাদের কথা হয়েছে৷ তবে যে সময়ে মমতা বন্দোপাধ্যায় দিল্লিতে পা রাখছেন, সেই সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে জোর চর্চা চলবে। রাজনৈতিক মহলের আগ্রহ, এই নির্বাচন উপলক্ষে বিরোধী জোট দানা বাঁধে কিনা। যার মাধ্যমে আসলে ২০২৪ এর বিরোধী জোট গঠনের সলতে পাকানোর কাজ শুরু হয়ে যাবে।
বিজেপি বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধিও। বিভিন্ন বিরোধী দলগুলির সঙ্গে কথা বলা শুরু করেছেন কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জূন খাড়্গে। সূত্রের খবর, মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধি। বিরোধী জোটে কংগ্রেসের ভূমিকা নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছে। তাদের বিরোধী হিসাবে ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। রাস্তায় নেমে যথাযথ ভাবে আন্দোলন করছেন না কংগ্রেস নেতৃত্ব। এমন অভিযোগ বারবার উঠে এসেছে৷ দক্ষিণ ভারতের দুই অবিজেপি মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন ও পিনারাই বিজয়ন অবধি এটাকে সমর্থন করেছেন। তবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে কংগ্রেস সহ বিজেপি বিরোধী দলগুলির এক ছাতার তলায় আসার সম্ভাবনা ক্রমশ উজ্জ্বল হচ্ছে। ইতিমধ্যেই এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ারের সঙ্গে দেখা করেছেন মল্লিকার্জূন খাড়গে। বিরোধী দলের মুখ হিসাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বেশ কয়েকটি নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। সূত্রের খবর, শরদ পাওয়ারের নাম নিয়েও আলোচনা চলছে। দক্ষিণ ভারতের বিজেপি বিরোধী লবির চর্চায় রয়েছে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচডি দেবগৌড়ার নাম।
আবীর ঘোষাল
