Bratya Basu: ‘জাতীয় পুরস্কার ফেরত দেবেন তো?’, উত্তপ্ত আবহেই সহশিল্পীদের প্রশ্ন ব্রাত্যর…

Bratya Basu: ‘জাতীয় পুরস্কার ফেরত দেবেন তো?’, উত্তপ্ত আবহেই সহশিল্পীদের প্রশ্ন ব্রাত্যর…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ‘আরজি কর কাণ্ডে (R G Kar Incident) যাঁরা আন্দোলন করছেন তাঁরা সরকারি পুরস্কার ফেরাবেন তো?’,কাঞ্চন মল্লিকের (Kanchan Mullick) এক অবমাননাকর মন্তব্যের জেরে পুরস্কার ফিরিয়ে দিয়েছিলেন সুদীপ্তা চক্রবর্তী। এরপর একে একে পুরস্কার ফিরিয়েছেন শিল্প সংস্কৃতি সাহিত্য জগতের একাধিক শিল্পী। পুরস্কার ফিরিয়েছেন নাট্যকার চন্দন সেন, নাট্যব্যক্তিত্ব বিপ্লব বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার শিল্পী সনাতন দিন্দা ছেড়েছেন রাজ্য চারুকলা পর্ষদের সদস্যপদ। একের পর এক পুরস্কার ফিরিয়ে দেওয়া প্রসঙ্গে এবার নয়া প্রশ্ন তুললেন নাট্যকার ব্রাত্য বসু (Bratya Basu)।

বৃহস্পতিবার বিকাশ ভবনে শিক্ষক দিবসের এক অনুষ্ঠানে এসে পুরস্কার ফেরানো প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী ও নাট্যকার ব্রাত্য বসু বলেন, “কেন্দ্রীয় স্তরে যদি এমন কোনও ঘটনা ঘটে, তাঁদের কাছে কেন্দ্রীয় সরকারের পুরস্কার থাকলে, ফেরত দেবেন তো?প্রত্যাখ্যান করা ব্যক্তিগত বিষয়। থিয়েটারের যিনি করেছেন, স্বাগত জানাই তাঁর সিদ্ধান্তকে। আমাদের নাট্য অ্যাকাডেমির পক্ষ থেকে এটুকু বলতে পারি যে, উনি বামফ্রন্টের হওয়া সত্ত্বেও তৃণমূল সরকার তাঁর ক্ষেত্রে কোনও বাছবিচার করেনি পুরস্কার দেওয়ার সময়ে। রাজনৈতিক পরিচয়ের নিরিখে তাঁর শৈল্পিক কৃতিত্ব বিচার করেনি। গণতান্ত্রিক অধিকার আছে তাঁর। তিনি নিশ্চয়ই ফেরাতে পারেন। আমরা বলতে পারি যে, আমরা তাঁর ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিচার করিনি।”

জাতীয় পুরস্কারের প্রসঙ্গ টেনে ব্রাত্য বসু বলেন, “সকলের অধিকার আছে। তাঁদের উদ্দেশে কোনও তির্যক, নিন্দাসূচক মন্তব্য করতে চাই না। শুধু বলব, তাঁরা তাঁদের কাজ করেছেন। আশা রাখি, কেন্দ্রীয় স্তরে যদি এমন ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটে এবং তাঁদের কাছে যদি কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে পাওয়া পুরস্কার থেকে থাকে, সেগুলিও ফেরত দেবেন তাঁরা।”গতকালের রাতদখলে যে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর সঙ্গে যে ঘটনা ঘটেছে, সেই প্রসঙ্গে নাট্যকার বলেন, ‘এই পেশার সাথে যুক্ত আমিও৷ সিনিয়র অভিনেত্রী, জাতীয় পুরষ্কার প্রাপ্ত অভিনেত্রীর সাথে এই আচরণ করতে পারিনা। অন্য দিকে ঘুরে যায়। এটাকে সমর্থন করছি না’।

পাশাপাশি আরজি কর মামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নিন্দনীয় ও ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে। সিবিআই মামলা হাতে নেওয়ার পরে ২৩ দিন পেরিয়ে গেল। নতুন করে খুন ও ধর্ষণ মামলায় কেউ গ্রেফতার নয়৷ সিবিআই সম্পূর্ণ নীরব। তদন্তের কি অগ্রগতি ঘটেছে, অতীতে যেভাবে সিবিআই তথ্য দিয়েছে এবারও দিক। ধর্ষণ মামলায় সিবিআইয়ের অগ্রগতি কি তা কেউ জানতে পারছি না। দুর্নীতি মামলায় চার জন গ্রেফতার হয়েছে৷ এটা অভিমুখ বদলানো বা না বদলানোর অবস্থা নিয়ে আলোচনা চলছে। বিজেপি বলছে প্রমাণ লোপাট করা হয়েছে। কি প্রমাণ লোপাট হল? কারা করল? তাদের গ্রেফতার করতে কেন পারল না সিবিআই? ধোঁয়াশা, নীরবতা ও দীর্ঘসূত্রিতাকে আমরা চ্যালেঞ্জ করছি। এর জবাব আমরা দ্রুত চাই।

(Feed Source: zeenews.com)