Christmas Cake: বড়দিন অর্থাৎ ২৫ ডিসেম্বর এলে মুনাফা লুটতে ভিন জেলা থেকে ছুটে নদিয়াতে আসেন কেক তৈরি করতে চাষিরা।
নদিয়া: লক্ষ্মীলাভের আশায় চাষিরা বিভিন্ন জেলা থেকে ছুটে আসেন কেক তৈরি করতে নদিয়ায়। বড়দিন অর্থাৎ ২৫ ডিসেম্বর এলে অতিরিক্ত উপার্জনের আশায় চাষিরা ভিন্ন জেলা থেকে কেক তৈরি করতে ছুটে আসেন নদিয়াতে। জানা যায়, তারা পেশায় কৃষক অর্থাৎ কৃষি কাজের সঙ্গে যুক্ত। ২৫ ডিসেম্বর ক্রিসমাস উপলক্ষে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বড় উৎসব। শুধু মাত্র তাদের নয় এই উৎসবকে কেন্দ্র করে মেতে ওঠেন জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলেই।
এই উৎসবে সামিল হতে দেখা যায় শিশু থেকে বৃদ্ধ প্রত্যেককেই। আর বড়দিন মানেই কেক। তাই সবার ক্ষেত্রে নামি দামী কেক কেনা সম্ভব নয়, সেক্ষেত্রে অনেকেই ঝোঁকেন বেকারির কেকের দিকে। বিভিন্ন নামি দামী কেকের কোম্পানির সঙ্গে এবার নদিয়ার রানাঘাটে টেক্কা দিচ্ছেন এই বেকারি। প্রায় ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বড়দিন উপলক্ষে বিভিন্ন ধরনের মাখন , ফ্রুট-সহ বিভিন্ন ধরনের কেক তৈরি হচ্ছে বাপ্পা মণ্ডলের বেকারিতে। তবে বাপ্পা মণ্ডল জানিয়েছেন, ১২ মাস নয়, ২৫ ডিসেম্বর উপলক্ষে কেক তৈরি হচ্ছে। অন্য সময় বিস্কুট-সহ অন্যান্য বেকারি মাল তৈরি করা হয়। তবে এই কেক পাড়ি দেয় কলকাতা-সহ পার্শ্ববর্তী এলাকায়।
বেকারির মালিক বাপ্পা মণ্ডল জানান, সারা বছর তাদের বেকারিতে বিস্কুট তৈরি হলেও বছরের এই একটা মাসে কেক তৈরি করেন তারা। এই কেক তৈরি করতে যে সমস্ত শ্রমিক তার বেকারিতে আসেন তারা বেশিরভাগই কৃষক। তবে অত্যন্ত দক্ষ তারা কেক বানাতেও। তবে কেকের বিভিন্ন উপকরনের মূল্যবৃদ্ধি যেভাবে হয়েছে সেই অর্থে কেকের দাম পাচ্ছেন না তারা।
কারণ সাধারণ বেকারির কেক অতিরিক্ত দামি হলে সেই কেক বিক্রি হয় না। লোকে একটু দামি কেক পছন্দ করেন খেতে যে কোনও নামজাদা সংস্থারই। ৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকা দামের কেক তাদের বেকারিতে পাওয়া যায়। এই কেক তৈরি হওয়ার পরে জেলা এবং জেলা ছাড়িয়ে বিভিন্ন দোকানে পাঠানো হয়।
Mainak Debnath
(Feed Source: news18.com)