
এতদিন অধ্যাপক-অধ্যাপিকা নিয়োগের ক্ষমতা থাকত সংশ্লিষ্ট কলেজগুলির হাতেই। এবার কলেজগুলির অধ্যাপক হওয়ার জন্য যাঁরা আবেদন করবেন, তাঁদের ইন্টারভিউ নেবে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের বিশেষজ্ঞরা
কলকাতা: ডিপ্লোমা ইন এলিমেন্টারি এডুকেশন (ডিএলএড) কলেজ নিয়ে আরও কড়াকড়ি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। ডিএলএড কলেজগুলিতে অধ্যাপক নিয়োগের ক্ষমতা এবার হাতে নিচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। এতদিন অধ্যাপক-অধ্যাপিকা নিয়োগের ক্ষমতা থাকত সংশ্লিষ্ট কলেজগুলির হাতেই। এবার কলেজগুলির অধ্যাপক হওয়ার জন্য যাঁরা আবেদন করবেন, তাঁদের ইন্টারভিউ নেবে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের বিশেষজ্ঞরা।
ইন্টারভিউ নেওয়ার পর কলেজগুলিতে প্যানেল পাঠাবে পর্ষদ। অনেক ক্ষেত্রেই অধ্যাপক-অধ্যাপিকা নিয়োগের ক্ষেত্রে গাইডলাইন মানতো না বেসরকারি ডিএলএড কলেজগুলি। অধ্যাপকদের নিয়োগ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ আসত। তার জেরেই এই সিদ্ধান্ত পর্ষদের।
“বোর্ড চায় কলেজগুলির সঙ্গে আরও নিবিড় সম্পর্ক। আমরা চাই প্রশাসনে আরও স্বচ্ছতা। তার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।” এমনটাই জানালেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পাল।
প্রসঙ্গত প্রাথমিক শিক্ষক হওয়ার জন্য রাজ্যজুড়ে ৩০৮ টি ডিএলএড কলেজে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রাথমিকের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেয় রাজ্যের সরকারি এবং বেসরকারি ডিএলএড শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি। ডিসেম্বরেই ওই প্রতিষ্ঠানগুলির অনুমোদনের ফি বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। একই সঙ্গে পুনর্নবীকরণের ফিও বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ ছাড়াও চলতি বছর থেকেই অনলাইনে এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার উপর জোর দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। পর্ষদের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, ৫০টি আসন যুক্ত কলেজগুলিকে ৫০ হাজার টাকা, ১০০টি আসনের ক্ষেত্রে এক লক্ষ টাকা এবং ১৫০টি আসনের জন্য এক লক্ষ ৫০ হাজার টাকা অনুমোদন বা পুনর্নবীকরণের ফি হিসাবে জমা দিতে হবে।
