৬১ হাজার কিমি বেগে ধেয়ে আসছে এই গ্রহাণু, ধ্বংস হতে পারে ভারতও ! কী জানাল নাসা ?

২০২৪ ওয়াইআর ৪ নামের একটি গ্রহাণু এখন পৃথিবীর দিকে দ্রুতগতিতে ধেয়ে আসছে। ২০৩২ সালের মধ্যে এই গ্রহাণু আছড়ে পড়তে পারে পৃথিবীতে।

তবে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন ৯৭.৯ শতাংশ সম্ভাবনা রয়েছে যে এই গ্রহাণু পৃথিবীর পাশ দিয়ে নিরাপদে বেরিয়ে যেতে পারে। তবে ২ শতাংশ খারাপ সম্ভাবনা এখনও রয়েছে।

তবে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন ৯৭.৯ শতাংশ সম্ভাবনা রয়েছে যে এই গ্রহাণু পৃথিবীর পাশ দিয়ে নিরাপদে বেরিয়ে যেতে পারে। তবে ২ শতাংশ খারাপ সম্ভাবনা এখনও রয়েছে।

যদি এই গ্রহাণু আছড়ে পড়ে তবে তা ঘটতে পারে আগামী ২০৩২ সালের ২২ ডিসেম্বর নাগাদ। এর পথ, গতি এবং আকার অনুযায়ী কোথায় কোথায় আছড়ে পড়তে পারে তা অনুমান করেছেন বিজ্ঞানীরা।

যদি এই গ্রহাণু আছড়ে পড়ে তবে তা ঘটতে পারে আগামী ২০৩২ সালের ২২ ডিসেম্বর নাগাদ। এর পথ, গতি এবং আকার অনুযায়ী কোথায় কোথায় আছড়ে পড়তে পারে তা অনুমান করেছেন বিজ্ঞানীরা।

এই গ্রহাণু আছড়ে পড়ার ফলে কোন কোন শহর ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে তা কেবলই বিজ্ঞানীরা অনুমান করেছেন কারণ এত দূরে আছে এই গ্রহাণু যে সঠিকভাবে বলা দুষ্কর।

এই গ্রহাণু আছড়ে পড়ার ফলে কোন কোন শহর ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে তা কেবলই বিজ্ঞানীরা অনুমান করেছেন কারণ এত দূরে আছে এই গ্রহাণু যে সঠিকভাবে বলা দুষ্কর।

নাসার ক্যাটালিনা স্কাই সার্ভে প্রকল্পের বিজ্ঞানী ডেভিড র‍্যাঙ্কিন জানিয়েছেম গ্রহাণুটির জন্য একটি রিস্ক করিডর তৈরি করা হয়েছে যেখানে পৃথিবীর বড় একটি অংশ রয়েছে।

নাসার ক্যাটালিনা স্কাই সার্ভে প্রকল্পের বিজ্ঞানী ডেভিড র‍্যাঙ্কিন জানিয়েছেম গ্রহাণুটির জন্য একটি রিস্ক করিডর তৈরি করা হয়েছে যেখানে পৃথিবীর বড় একটি অংশ রয়েছে।

এই রিস্ক করিডরে রয়েছে দক্ষিণ আমেরিকা, দক্ষিণ এশিয়া, আফ্রিকা, ভেনেজুয়েলা, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, সুদান, নাইজেরিয়া ইত্যাদি অঞ্চলগুলি।

এই রিস্ক করিডরে রয়েছে দক্ষিণ আমেরিকা, দক্ষিণ এশিয়া, আফ্রিকা, ভেনেজুয়েলা, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, সুদান, নাইজেরিয়া ইত্যাদি অঞ্চলগুলি।

এর আগে ১৯০৮ সালে একই আকারের গ্রহাণু দ্য টুংসুকা আছড়ে পড়েছিল সাইবেরিয়ায় এবং ৮৩০ বর্গকিমির জঙ্গল পুরো ভস্ম হয়ে গিয়েছিল।

এর আগে ১৯০৮ সালে একই আকারের গ্রহাণু দ্য টুংসুকা আছড়ে পড়েছিল সাইবেরিয়ায় এবং ৮৩০ বর্গকিমির জঙ্গল পুরো ভস্ম হয়ে গিয়েছিল।

নাসার অধীনে Asteroid Terrestrial-impact Last Alert System station ২০২৪ সালে এই গ্রহাণুকে চিহ্নিত করেছিল।

নাসার অধীনে Asteroid Terrestrial-impact Last Alert System station ২০২৪ সালে এই গ্রহাণুকে চিহ্নিত করেছিল।

তবে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন এই গ্রহাণুর কক্ষপথ জেনে এটুকু বোঝা যায় যে এটি পৃথিবীতে আছড়ে পড়তে পারে, কিন্তু এর প্রভাব কত বিধ্বংসী হবে তা বলা যায় না।

তবে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন এই গ্রহাণুর কক্ষপথ জেনে এটুকু বোঝা যায় যে এটি পৃথিবীতে আছড়ে পড়তে পারে, কিন্তু এর প্রভাব কত বিধ্বংসী হবে তা বলা যায় না।

বিজ্ঞানী অ্যান্ড্রিউজ জানিয়েছিলেন যে গ্রহাণুটিকে টুকরো টুকরো করে দেওয়া খুবই অনিরাপদ, একটি বিরাট কামানের গোলাকে এভাবে সামান্য গুলিতে পরিণত করা যায় না। তবে মহাকাশযান নিয়ে তার দিকে হানা দিলে তা অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ কাজ হবে।

বিজ্ঞানী অ্যান্ড্রিউজ জানিয়েছিলেন যে গ্রহাণুটিকে টুকরো টুকরো করে দেওয়া খুবই অনিরাপদ, একটি বিরাট কামানের গোলাকে এভাবে সামান্য গুলিতে পরিণত করা যায় না। তবে মহাকাশযান নিয়ে তার দিকে হানা দিলে তা অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ কাজ হবে।

(Feed Source: abplive.com)