Bengal Education: দৃষ্টিহীনদের জন্য বিশেষ ‘লেখাপড়া’, গাছের পাতা চেনার উপায় বের করে চর্চায় বিশ্বভারতী

Bengal Education: দৃষ্টিহীনদের জন্য বিশেষ ‘লেখাপড়া’, গাছের পাতা চেনার উপায় বের করে চর্চায় বিশ্বভারতী

Bengal Education: দৃষ্টিহীনরা চিনতে পারবেন যে কোনও গাছের পাতা, কীভাবে সম্ভব? বাংলার ছাত্রের গবেষণায় চমক।

প্রতিকী চিত্র 

বীরভূম: দৃষ্টিহীন ব্যক্তিরা নানান সময় নানার সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকেন। অনেক সময় অনেক কিছু বুঝতে পারেন না তারা। আর সেই কারণেই পিছিয়ে যাচ্ছেন দৃষ্টিহীন মানুষেরা। তবে তাদের কথা চিন্তা করে এবার এক অনন্য উপায় খুঁজে বের করলেন এক যুবক।

যাতে দৃষ্টিহীন মানুষজন গাছগাছালির সঙ্গে পরিচিত হতে পারেন, সেই উপায় বের করলেন বিশ্বভারতীর এক ছাত্র। ব্রেইল পদ্ধতিতে গাছের পাতার নাম, আকার, ঘ্রাণ প্রভৃতি তুলে ধরেছেন বিশ্বভারতীর উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের গবেষক পড়ুয়া সৌমিত্র হালদার।

‘পরশ পত্রালি’ নামে তাঁর গবেষণাপত্রটি ইতিমধ্যেই বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। দৃষ্টিহীনদের দিয়ে বিষয়টি পরীক্ষা করে সফলতা পাওয়া গিয়েছে। বিশ্বভারতীর বিশেষভাবে সক্ষমদের নিয়ে সদ্য হয়ে যাওয়া একটি সেমিনারেও এই গবেষণাটি আলোচ্য বিষয় ছিল।বোলপুর বিশ্বভারতীর উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক সুব্রত মণ্ডল জানান, “প্রসঙ্গত সৌমিত্র বিএড করার সময় লক্ষ্য করেছিল মূলত দৃষ্টিহীনরা গাছের পাতা বা গাছ চেনার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়ছেন।সেই থেকেই ওর মাথায় আসে এদের জন্য কিছু করার।তারপর আমরা এই কাজ শুরু করি। মূলত দৃষ্টিহীনরা স্পর্শ করলেই যাতে কোনটা কোন গাছের পাতা, কেমন গন্ধ বুঝতে পারে তাই তুলে ধরা হয়েছে। এতে ওদের সুবিধা হবে অনেক, গাছের ঘ্রাণ বুঝে সেটি কোথায় আছে সেটাও সনাক্ত করতে পারবে। পরিবেশের সঙ্গে তাঁদের পরিচিতি বাড়বে অনেকটাই। আমরা এই কাজটি যাতে বিভিন্ন স্কুল-কলেজের লাইব্রেরিতে রাখা হয়, সেটাও বলেছি।”

সৌমিত্র হালদার তাঁর কাছ থেকে জানা গিয়েছে, স্নাতকোত্তর উত্তীর্ণ হয়ে গবেষণার কাজ শুরু করার আগে তিনি বিএডে ভর্তি হন। সেই সময় প্রকল্পের কাজ করতে গিয়ে তাঁর নজরে আসে দৃষ্টিহীন পড়ুয়ারা গাছের পাতা চিনতে পারছেন না। বারবার অন্যকে জিজ্ঞাসা করতে হচ্ছে। এতে সমস্যা হচ্ছে সকলের। এরপরেই সৌমিত্র দৃষ্টিহীনদের গাছ চেনানোর উপায় বের করেন।

সৌভিক রায়