
আইএসএলের সেমিফাইনালের প্রথম লেগের ম্যাচে কান্তিরাভায় এফসি গোয়াকে ২-০ গোলে উড়িয়ে দিল বেঙ্গালুরু এফসি। প্রথম ৬০ মিনিটে একবারের জন্যেও গোয়ার আক্রমণভাগের ফুটবলারা বেঙ্গালুরুর গোলে শট নিতে পারেননি, এই পরিসংখ্যানই বুঝিয়ে দিচ্ছে ঠিক কতটা ভালো ফুটবল এদিন ঘরের মাঠে খেলেছে বেঙ্গালুরু। যদিও ৯০ মিনিট শেষে দেখা গেল বল পজিশন বেশি ছিল গোয়ার, কিন্তু গোলের খাতা খুলতে ব্যর্থ হন তাঁরা।
আত্মঘাতী গোল সন্দেশের
প্রথমার্ধেই একের পর এক আক্রমণ বেঙ্গালুরু করছিল গোয়ার রক্ষণে, কিন্তু গোল পাচ্ছিল না। ৪২ মিনিটে গোয়ার সন্দেশ ঝিংগানের একটি ভুলই তাঁদের ব্যাকফুটে ফেলে দিল এবং এগিয়ে দেয় বেঙ্গালুরু এফসিকে। সন্দেশ ঝিংগান আত্মঘাতী গোল করে বসেন। সেই লিড ধরে রেখেই লেমন ব্রেকে যায় জেরার্ড জারাগোজার দল। বিরতি থেকে ফিরে এসে আরও ঝাঁঝালো আক্রমণ করে বেঙ্গালুরু।দ্বিতীয় গোলটি করেন মেন্ডেজ
আর তাতেই ইনসুরেন্স গোলের দেখা পেয়ে যেতে খুব বেশি অসুবিধা হয়নি বেঙ্গালুরু এফসিকে। এই ম্যাচে জারাগোজা সুনীল ছেত্রীকে প্রথম একাদশে না নামিয়ে জোড়া বিদেশী স্ট্রাইকারে খেলেছিল। তাঁদের মধ্যে এডগার মেন্ডেজ গোল এনে দেন ম্যাচের ৫১ মিনিটে, যাতে ২-০ গোলে এগিয়ে গেছিল বেঙ্গালুরু এফসি। নামগাল ভুটিয়ার পাস থেকে গোল করেন মেন্ডেজ।
দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক ফুটবল
২ গোল দেওয়ার পরেই বেঙ্গালুরর কোচ আসল খেলা দেখান। সাধারণত অনেক দলই ডিফেন্সিভ ফুটবলে চলে যায়। কিন্তু জারাগোজা নেন অন্য টেকনিক। তিনি পরপর ফ্রেশ লেগ ইনজেক্ট করেন দলে। ৫৭ মিনিটে শিবশক্তিকে তুলে সুনীল ছেত্রীকে নামান তিনি। এরপর এডগার মেন্ডেজকে তুলে নিয়ে জোর্জে পেরেইরা দিয়াজকে নামান জারাগোজা। অর্থাৎ আক্রমণে আরও চাপ বাড়ান।বেশ কয়েকটা ভালো সেভ গুরপ্রিতের
৪৮ মিনিটে রায়ান উইলিয়ামসের শট সেভ করেন গোয়ার গোলরক্ষক। অবশ্য এর আগে ব্রিসন ফার্নান্দেজও বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেছিলেন গোলমুখ খোলার, কিন্তু গোলের দেখা পায়নি এফসি গোয়া। ৫৫ মিনিটে এডগার মেন্ডেজের শট সেভ করেন গোয়ার গোলরক্ষক হৃত্বিক তিওয়ারি। এদিন বেঙ্গালুরুর গোলের তলায় বেশ কয়েকটি সুযোগ সেভ করেন গুরপ্রিত সিং সান্ধুও। ৮০ এবং ৮২ মিনিটে প্রথমে বরিস সিং এবং এরপর ইয়ার গুয়ারেক্সটোনার শট সেভ করেন সান্ধু। ৮৮ মিনিটে কার্ল হিউজের শট একটুর জন্য বাইরে চলে যায়।
(Feed Source: hindustantimes.com)
