
নয়াদিল্লি : ‘ভারতের বাকি অংশের থেকে বিচ্ছিন্ন কাশ্মীর। দীর্ঘদিন ধরে এমনটা একটা ধারণা ছিল। কারণ, সংবিধানের ৩৭০ ধারায় জম্মু ও কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, সরকার এই ধারা বাতিল করে দেওয়ায় সেই ধারণা শেষ করা গেছে।’ ইন্দোনেশিয়ায় একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলোচনায় এমনই মন্তব্য করলেন কংগ্রেস নেতা সলমন খুরশিদ।
৩৭০ ধারা বাতিলের ইতিবাচক দিকের কথা তুলে ধরতে গিয়ে সলমন বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে কাশ্মীরের একটা বড় সমস্যা ছিল। এর বেশিরভাগই সংবিধানের ৩৭০ ধারা নামক একটি অনুচ্ছেদে সরকারের চিন্তাভাবনার মধ্যে প্রতিফলিত হয়েছিল, যা কোনওভাবে এমন ধারণা তৈরি করেছিল যে এটি দেশের বাকি অংশ থেকে পৃথক। কিন্তু ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়েছে এবং অবশেষে এটির অবসান ঘটেছে। এরপর, ৬৫ শতাংশ ভোটার অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ কাশ্মীরে একটি নির্বাচিত সরকার রয়েছে।”
#WATCH | Jakarta | “Indonesia was far more supportive than we expected… They took a lot of interest and reiterated their support for India’s position… The narrative pushed by the Chief of Army Staff in Pakistan, now Field Marshal, was completely negated and rejected in our… pic.twitter.com/ym5xATaKJJ
— ANI (@ANI) May 30, 2025
সংবিধানের ৩৭০ ধারায় জম্মু ও কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া ছিল। কিন্তু, ২০১৯ সালের অগাস্ট মাসে বিজেপি-নেতৃত্বাধীন সরকার এই ধারা বাতিল করে দেয়। এই সিদ্ধান্তে উপত্যকায় লাভের কথা তুলে ধরেন কংগ্রেস নেতা। তিনি জনতা দল (ইউনাইটেড) সাংসদ সঞ্জয় কুমার ঝা-র নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলে রয়েছেন। সলমনের এখনকার মন্তব্য তাঁর অতীতের অবস্থান থেকে আলাদা। এর আগে তিনি এই ধারাকে কোনো ‘বাধা’ নয় বলে বর্ণনা করেছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, এই ধারা ভারতকে জম্মু ও কাশ্মীরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছিল। ২০১৯ সালে তিনি বলেছিলেন, “এই ধারাটি জম্মু ও কাশ্মীরকে ভারতের মধ্যে থাকার পথ প্রশস্ত করেছিল। রাজ্যটি কেবল জমি বা তার জনগণ নয়। এটি ছিল একটি ধারণা, ভারতের ধারণার মধ্যে।” অপারেশন সিঁদুর-প্রেক্ষাপটে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের লড়াইয়ের অবস্থান তুলে ধরছে বিভিন্ন প্রতিনিধি দল। সলমন খুরশিদ যে প্রতিনিধি দলে রয়েছে, সেই দলটির দায়িত্বে রয়েছে- ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান এবং সিঙ্গাপুর।
(Feed Source: abplive.com)
