প্রচন্ড শীতে, জলে ভিজে ১২ রাত শ্যুটিং! এমন পরিস্থিতিতে কেন পড়েছিলেন অপরাজিতা?

প্রচন্ড শীতে, জলে ভিজে ১২ রাত শ্যুটিং! এমন পরিস্থিতিতে কেন পড়েছিলেন অপরাজিতা?

কলকাতা: এই অভিনেত্রীর নাম করলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে তাঁর হাসিমুখ। তিনি পর্দায় আসলেই যেন ছড়িয়ে পড়ে একরাশ ইতিবাচক চিন্তাভাবনা। তবে এবার তিনি একেবারে অন্যরকম ভাবনায়, অন্যরকম চরিত্রে। এই প্রথমবার একেবারে নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করছেন অপরাজিতা আঢ্য (Aparajita Auddy)। আগামী ছবি ‘বানসারা’-তে একটি নেতিবাচক চরিত্রে দেখা যাবে তাঁকে। আর এই ছবিতে অপরাজিতার বিপরীতে দেখা যাবে বনি সেনগুপ্ত (Bonny Sengupta)-কে। বনিকে দেখা যাবে একজন পুলিশ অফিসারের চরিত্রে আর অপরাজিতাকে দেখা যাবে গৌরীকা দেবীর চরিত্রে। এই সিনেমায় গৌরিকা দেবীর ছোটবেলার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন তানিশি মুখোপাধ্যায়।

শহর থেকে অনেকটা দূরেই এই ছবির একটা বড় অংশের শ্যুটিং হয়েছে। অপরাজিতা আঢ্যের ১২ দিনের শিডিউল ছিল। শ্যুটিংয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে অপরাজিতা বলছেন, ‘বানসারা-র শ্যুটিং করতে যেখানে গিয়েছিলাম, সেখানে কোনও নেটওয়ার্ক ছিল না। ফলে কেউ আমায় বিরক্ত করতে পারেনি। এটা আমার ভীষণ ভাল লেগেছে। আর ওখানে প্রচণ্ড ঠাণ্ডা ছিল। সবাই কার্যত জমে যাচ্ছে। পরিচালক থেকে শুরু করে সবাই পালাতে পারলেই বাঁচে। কেউ কেউ তো দেখছি গায়ে কম্বল ও জড়িয়ে নিচ্ছে। আর তার মধ্যে একটা পাতলা শাড়ি পড়ে সারা রাত ধরে, জলে ভিজে প্রায় প্রত্যেকটা দিন শ্যুটিং করেছি। সব মিলিয়ে খুব মজা করেছি।’ প্রথমে নাকি এই সিনেমাটা করতে রাজি হননি অপরাজিতা। পরে চিত্রনাট্য শুনে অভিনেত্রীর ভীষণ পছন্দ হয়। আর তার পর থেকেই শ্যুটিংয়ের পরিকল্পনা শুরু।

Aparajita Auddy: প্রচন্ড শীতে, জলে ভিজে ১২ রাত শ্যুটিং! এমন পরিস্থিতিতে কেন পড়েছিলেন অপরাজিতা?

পুরুলিয়ার গ্রামে পাহাড়ের ওপর ‘বানসারা’-র সেট তৈরি করা হয়েছিল। পাহাড়ের ওপর তৈরি করা হয়েছিল একটি ৪০ ফুটের দেবী মূর্তি। একটা গোটা গ্রামের সমস্ত বাড়িকে রঙ করে তৈরি করা হয়েছিল ছবির সেট। প্রতিদিন প্রায় ৬০০ থেকে ৭০০ জন নিয়ে শ্যুটিং হত। সিনেমা পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন আতিউল ইসলাম। ছবির প্রথমভাগের শ্যুটিং শেষ হয়ে গিয়েছে। সিনেমার দ্বিতীয় ভাগের শ্যুটিং হবে কলকাতায়।

Aparajita Auddy: প্রচন্ড শীতে, জলে ভিজে ১২ রাত শ্যুটিং! এমন পরিস্থিতিতে কেন পড়েছিলেন অপরাজিতা?

বানসারা হচ্ছে পুরুলিয়ার একটি জঙ্গলে ঘেরা গ্রাম। এই গ্রামের বনদেবীর নামানুসারেই এই গ্রামের নাম হয়েছে বানসারা। এই বনদেবী এতটাই জাগ্রত যে তিনি নাকি কোনও ঘটনায় অপরাধীদের নিজের হাতে ত্রিশূল দিয়ে বধ করেন। দেবীর ইচ্ছে, আদেশ, নির্ধারিত সিদ্ধান্ত সবকিছুই দেবী গ্রামের সাধারণ মানুষদের কাছে পৌঁছে দেয় বড়মার মাধ্যমে। এই বড়মা হলের গ্রামের জমিদার বাড়ির একমাত্র মেয়ে। তাঁর নাম গৌরিকা দেবী। এই চরিত্রেই দেখা যাবে অপরাজিতাকে। তিনিই বানসারার জন্য একটি নিয়মাবলি তৈরি করে রেখেছেন। ইনিই নিজেকে বানসারার রক্ষক বলেন, তবে তিনি একাধারে রাজনীতিবিদও।

(Feed Source: abplive.com) Aparajita Auddy: প্রচন্ড শীতে, জলে ভিজে ১২ রাত শ্যুটিং! এমন পরিস্থিতিতে কেন পড়েছিলেন অপরাজিতা?