
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের তরফে যে কোনও বড় সংস্থার মতোই প্রাক্তন কর্মচারী এক্ষেত্রে ক্রিকেটারদের অবসরের পর তাঁদের মাসিক পেনসন দেওয়া হয়ে থাকে।

সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় বোর্ড সভাপতি থাকাকালীন, ২০২২ সালে এই পেনসনের পরিমাণ আগের থেকে অনেকটাই বাড়ানোর কথা ঘোষণা করা হয়েছিল।

বিসিসিআই এর তরফ থেকে অবসরপ্রাপ্ত ভারতীয় খেলোয়াড়দের প্রতি মাসে পেনশনের পরিমাণ কিন্তু তাঁরা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছেন কি না, খেললেও কটি ম্যাচ খেলেছেন, তার ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়।

প্রাক্তন ভারতীয় কিংবদন্তি খেলোয়াড় সচিন তেন্ডুলকরকে স্বাভাবিকাভাবেই পেনশেনভোগীদের তালিকায় একেবারে শীর্ষের সারিতে রাখা হয়েছে।

বিসিসিআই প্রতি মাসে ৭০ হাজার টাকা পেনশন হিসেবে দেয়। এমএস ধোনির ক্ষেত্রেও এই অঙ্কটা কিন্তু একই।

তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রেও কে, কয়টি টেস্ট খেলেছেন, তার ওপর ভিত্তি করে এই পেনশনের পরিমাণ বাড়ে বা কমে।

এর কারণ রায়না দেশের হয়ে ২৫ বা তার কম টেস্ট খেলা ক্রিকেটারদের তালিকায় পড়েন। তাই তিনি প্রচুর সীমিত ওভারের ক্রিকেট খেললেও, লক্ষ্মণদের থেকে সম্ভবত কম টাকাই পেনশন বাবদ পান।

অবশ্য ধোনি হোক বা সচিন, বা রায়ানা, সকলেই কিন্তু ক্রিকেটের বাইরেও অন্যান্য উৎস থেকে প্রচুর অর্থ উপার্জন করেন ।

তাই স্রেফ পেনশনের ওপর নির্ভর তাদের করতে হয় না। কোহলি, রায়না, ধোনি, সচিন এঁরা কিন্তু সকলেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজেদের অর্থ বিনিয়োগও করেছেন।
(Feed Source: abplive.com)
