ওয়ালকট ও উইকসের সঙ্গে সম্মিলিতভাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ে ক্রিকেটের ‘Three Ws’ হিসাবে পরিচিত ছিলেন। বাকি দুইজনের মতো তাঁরও জন্ম র্বাডোজে এবং তিনি প্রায় সমবয়সীই ছিলেন।

১৯৬১ সাল থেকে অস্ট্রেলিয়া বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের সিরিজ় তাঁর নামেই নামাঙ্কিত।

তিনি ফ্র্যাঙ্ক ওরেল। ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান কিংবদন্তি। দেশের জার্সিতে ১৯৪৮ সালে অভিষেক ঘটিয়ে খেলেছিলেন ৫১টি টেস্ট ম্যাচ।

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে কেরিয়ারের প্রথম ইনিংস ৯৭ রান করেছিলেন। তারপর থেকে গোটা টেস্ট কেরিয়ারে শেষ সিরিজ়ের আগে অবধি তাঁর ব্য়াটিং গড় কোনোদিন ৫০-র নীচে নামেনি।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের হয়ে ১৫ বছরের কেরিয়ারে দলের হয়ে নয়টি শতরানসহ ৩৮৬০ রান করার পাশাপাশি দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার কৃতিত্বও রয়েছে ওয়ারেলের দখলে।

৫০-র দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ় দলে শেত্বাঙ্গদের আধিপত্য ছিল। তবে ওরেল শুধু খেলেনই না, তিনি অধিনায়কও হন। তিনিই ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ অধিনায়কও বটে।

দেশের মহান ব্যক্তিত্বদের ছবিই সেই দেশের নোটে ছাপানো হয়। ওরেলই একমাত্র ক্রিকেটার যাঁর ছবি তাঁর দেশের টাকায় ছাপা হয়েছিল। ক্রিকেটে তাঁর অবদানের জন্য বার্বাডোজ়ের সরকার তাঁকে এই বিশেষ সম্মান দিয়েছিল।

তবে শুধু টাকা নয়, পোস্টেজ স্ট্যাম্পেও ওরেলের ছবি ছাপা শুরু করে বার্বাডোজ সরকার।

দুরন্ত ক্রিকেটার ও ইতিহাস সৃষ্টিকারী অধিনায়ক তো বটেই, ওরেল মানুষ হিসাবেও ছিলেন অনন্য। একদা তিনি নাকি ভারতীয় অধিনায়ক নারী কনট্রাক্টরকে বাঁচাতে রক্তদান অবধি করেছিলেন।

১৯৬২ সালে কনট্রাক্টর এক ম্যাচে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। তাঁর রক্তের প্রয়োজন তড়িঘড়ি করে ওরেলই এগিয়ে আসেন এবং রক্ত দান করেন বলে শোনা যায়। ছবি- আইসিসি/ ঈশান্ত শর্মার এক্স
(Feed Source: abplive.com)
