East Bengal: বদলার ম্যাচে ইঞ্চিতে-ইঞ্চিতে প্রতিশোধ, মশালের আগুনে পুড়ল হিরে…

East Bengal: বদলার ম্যাচে ইঞ্চিতে-ইঞ্চিতে প্রতিশোধ, মশালের আগুনে পুড়ল হিরে…

শুভপম সাহা: ডুরান্ড কাপের সেমিফাইনালে ডায়মন্ড হারবার এফসি-র কাছে ১-২ হেরে খেতাবের স্বপ্ন ভেঙেছিল ইস্টবেঙ্গলের! সেই দগদগে ক্ষত খেলোয়াড় থেকে শুরু করে সমর্থকদের মনে টাটকাই ছিল| আর রবিবার দুপুরে, কলকাতা লিগে, সুপার সিক্সের ম্যাচে, কিশোর ভারতীতে ইঞ্চিতে-ইঞ্চিতে প্রতিশোধ নিল ইস্টবেঙ্গল| ৩-১ গোলে লাল-হলুদ হারাল ডিএইচএফসি-কে|

প্রথমার্ধ

প্রথমার্ধের মিনিট কুড়ি দু’দলের খেলার মধ্যেই সেরকম ঝাঁজ ছিল না| তবে ২৬ মিনিটের মাথায় মশালবাহিনী দলীয় প্রয়াসে স্কোরলাইনে নাম লিখিয়ে ফেলে|
অমন সিকে-র বাঁদিক থেকে চিপ করেন পিভি বিষ্ণুকে| তিনি স্কোয়ার পাস বাড়ান ডেভিড লালহাসাঙ্গাকে| মিজো ফরোয়ার্ড গোল করতে কোনও ভুল করেননি| গোলের মুখ খুলে ফেলার পরেই ইস্টবেঙ্গল একাধিক গোলের সুযোগ তৈরি করেছিল বিরতির আগে| তবে আর কোনও গোল হয়নি তিন মিনিট ইনজুরি টাইম পেয়েও|

দ্বিতীয়ার্ধ

বিরতির পর বিনো জর্জ  অপরিবর্তিত দল নিয়েই নেমেছিলেন| তবে দীপাঙ্কুর শর্মা দু’টি বদল করেন| দিলীপ ওঁরাও ও বিক্রমজিৎ সিংকে তুলে পবন পাটেম ও সুপ্রিয় পণ্ডিতকে নামান| কিছুক্ষণ পর ইস্টবেঙ্গলও জোড়া বদল করে| ডেভিডকে তুলে জেসিনকে ও অমনকে তুলে গুইতেকে নামান বিনো| খেলোয়াড় বদলের পর দুই দলই গোলের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিল| ৭২ মিনিটে পলের ফ্রি-কিক থেকে সাইরুয়াতকিমা হেডে গোল করে সমতা ফিরিয়ে এনে খেলার রং বদলে দিয়েছিলেন|  কিন্তু এই ইস্টবেঙ্গল যে হাল ছাড়ার পাত্র নয়, গোল হজমের দু’মিনিটের মধ্যে সায়নের পাস থেকে জেসিন গোল করে ইস্টবেঙ্গলকে ২-১ এগিয়ে দেন| আর গোলের পরেই সায়নকে তুলে শ্যামল বেসরাকে নামান কোচ| খেলার অন্তিম মুহূর্তে, জেসিনের গোলই ডায়মন্ড হারবারের কফিনে শেষ পেরেক পুঁতে দেয়…

জমে গেল লড়াই…

তিন ম্যাচের চ্যাম্পিয়নশিপ রাউন্ডের পয়েন্টের হিসেবেই নির্ধারিত হবে ঘরোয়া লিগের চাম্পিয়ন| ডায়মন্ড হারবারকে হারিয়ে ইস্টবেঙ্গল ট্রফির আরও কাছে এগিয়ে গেল| তবে লড়াই একেবারে জমে ক্ষীর হয়ে গেল।

(Feed Source: zeenews.com)