PCOD Awareness: হরমোনস কমে বাড়ে, PCOD ঘরে ঘরে! বাঁচার উপায়…

PCOD Awareness: হরমোনস কমে বাড়ে, PCOD ঘরে ঘরে! বাঁচার উপায়…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: আজকের দিনে মহিলাদের মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ সমস্যাগুলির মধ্যে অন্যতম হল পলিসিস্টিক ওভারিয়ান ডিজিজ বা PCOD। চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে, ভারতে প্রায় ২০% প্রজননক্ষম মহিলারা এই রোগে আক্রান্ত। তাই মহিলাদের সুস্থতা ও প্রজননক্ষমতা বজায় রাখতে প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসকে PCOD/PCOS সচেতনতা মাস হিসেবে পালন করা হয়।

PCOD কী? 
PCOD হল একটি হরমোনজনিত সমস্যা। মহিলাদের ডিম্বাশয়ে (Ovary) অনেক ছোট ছোট সিস্ট তৈরি হয়, যার ফলে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। এর ফলে ঋতুচক্র অনিয়মিত হয়ে যায় এবং নানা শারীরিক ও মানসিক সমস্যা দেখা দেয়।

PCOS ও PCOD-র মধ্যে কী পার্থক্য? 
অনেক সময় PCOD কে পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোমের (PCOS) সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা হয়, কিন্তু এই দুটি সম্পূর্ণ আলাদা। PCOS হলো একটি সিনড্রোম অর্থাৎ জটিল অবস্থা।  এটি PCOD-র তুলনায় গুরুতর। হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে ডায়াবেটিস, হাই ব্লাড প্রেশার ইত্যাদি বড় রোগ ডেকে আনতে পারে।

কী কী প্রধান লক্ষণ?
PCOD-র লক্ষণ একজন মহিলা থেকে আরেকজনের ক্ষেত্রে ভিন্ন হতে পারে। তবে কিছু সাধারণ লক্ষণ হল:
১. মাসিক চক্র অনিয়মিত হওয়া
২. অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি
৩. শরীরে অতিরিক্ত লোম গজানো বা চুল পড়া
৪. ত্বকে ব্রণ বা তৈলাক্ত ভাব
৫. গর্ভধারণে অসুবিধা

ঘরোয়া কিছু প্রতিকার –
১. মেথি ভেজানো জল খেলে হরমোন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
২. দারচিনি রক্তে সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখে
৩. আলোভেরা জুস হজম শক্তি বাড়ায় এবং হরমোন নিয়ন্ত্রণ করে
৪. যোগব্যায়াম ও মেডিটেশন মানসিক চাপ কমায় ও ওজন নিয়ন্ত্রণ করে

কী খাওয়া উচিত নয়?
১. অতিরিক্ত মিষ্টি বা কোল্ড ড্রিংকস
২. ভাজাভুজি ও ফাস্ট ফুড
৩. অতিরিক্ত প্যাকেটজাত খাবার

(Feed Source: zeenews.com)