
কলকাতা: ‘সিআইডি’ (CID) একটা ভীষণ জনপ্রিয় ধারাবাহিক। দীর্ঘদিন ধরে চলেছে এই ধারাবাহিক। একটা সময়ে এই ধারাবাহিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরে, দর্শকদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে, আবার নতুন করে শুরু হয় এই ধারাবাহিক। এই ধারাবাহিকের মুখ্য চরিত্র, এসিপি প্রদ্যুমন, অভিজিৎ আর দয়া। পাশাপাশি, এই ধারাবাহিকে আরও অনেক চরিত্র বিভিন্ন সময়ে অভিনয় করেছেন। কখনও কখনও এক একটা চরিত্র এসেছেন, জনপ্রিয়তা পেয়েছেন, আবার ধারাবাহিক থেকে বেরিয়েও গিয়েছেন। এই ধারাবাহিকেই অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন অভিনেত্রী বৈষ্ণবী ধনরাজ (Vaishnavi Dhanraj)।
‘সিআইডি’-তে তাশার চরিত্রে অভিনয় করতেন বৈষ্ণবী। বর্তমানে অনেকদিন ধরেই ছোটপর্দা থেকে দূরে রয়েছেন বৈষ্ণবী। তবে কিছুদিন আগেই বৈষ্ণবী আলোচনায় উঠে এসেছিলেন তাঁর পারিবারিক কারণে। বৈষ্ণবী জানিয়েছিলেন, তাঁর স্বামী এবং তাঁর মা ও ভাই তাঁর ওপর অত্যাচার করতেন। বৈষ্ণবী আরও বলেছিলেন, তাঁর স্বামীও তাঁকে খুব মারধর করতেন এবং নির্যাতন করতেন। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে বৈষ্ণবী সাহায্য চেয়েছিলে। ২০১৬ সালে অভিনেত্রী তাঁর স্বামী এবং অভিনেতা নিতিন সহরাওয়াতের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ এনেছিলেন। অভিনেত্রী স্পটবয়কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে তাঁর পরিস্থিতির কথা জানিয়েছিলেন।
বৈষ্ণবী বলেছিলেন, ‘আমি গার্হস্থ্য হিংসার শিকার হয়েছিলাম। একটা সময়ের পর আমি এটা সহ্য করতে পারিনি। সেই সব কিছু খুবই ভয়ঙ্কর ছিল।’ অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘একদিন সকালে খুব খারাপ ঘটনা ঘটেছিল। হয়তো সে আমাকে মারত না, কিন্তু আমি খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম।’ তিনি আরও বলেন, ‘এমন অবস্থায় বাড়ি থেকে পালিয়ে যাই। আমার স্বামী আমাকে এত মেরেছিল, আমার পা থেকে রক্ত ঝরতে শুরু করে। সেই দিনটা ছিল তাঁর স্ত্রী হিসেবে আমার শেষ দিন। ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে আমি বিবাহবিচ্ছেদ করি।’ যদিও, অভিনেত্রীর স্বামী নিতিন সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট শেয়ার করে এই সব কথাগুলিকে নিছক বোকামি বলে দাবি করেছিলেন।
বৈষ্ণবী বলেছিলেন, আমি প্রচার পাওয়ার জন্য এই ধরণের কথা বলব না নিশ্চয়ই। ২০২৩ সালে বৈষ্ণবী সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও শেয়ার করেছিলেন, যেখানে তিনি সাহায্যের আবেদন জানিয়েছিলেন। ভিডিওতে অভিনেত্রী আঘাতের চিহ্ন দেখিয়েছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন যে সম্পত্তির লোভে তাঁর মা এবং ভাই তাঁকে খুব মেরেছিলেন। অভিনেত্রীর মুখ এবং হাতে আঘাতের চিহ্ন ছিল। অভিনেত্রী একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন যে, তাঁর মা এবং তাঁর ভাই তাঁকে ১০ বছর ধরে অত্যাচার করেছেন, মারধর করেছেন। বৈষ্ণবী বলেছিলেন, তাঁর মা ও ভাই তাঁর জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করতে চেয়েছিলেন।
(Feed Source: abplive.com)
