
Weekend Trip: একপাশে সবুজ মাঠের সারি, অপর পাশে জলরাশি, আর তার মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে এক সরু আঁকাবাঁকা রাস্তা। এই প্রাকৃতিক পরিবেশ সত্যিই মনোমুগ্ধকর। শীতের সময় মানুষ নিরিবিলি, শান্ত পরিবেশে একটু সময় কাটাতে পছন্দ করেন।
একপাশে সবুজ মাঠের সারি, অপর পাশে জলরাশি, আর তার মধ্য দিয়ে বয়ে গিয়েছে সরু আঁকাবাঁকা রাস্তা। এই প্রাকৃতিক পরিবেশ সত্যিই মনোমুগ্ধকর। শীতের সময় মানুষ নিরিবিলি, শান্ত পরিবেশে একটু সময় কাটাতে পছন্দ করেন।
উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটে, ভেবিয়া শ্মশান থেকে খোলাপোতাগামী রাস্তায় চাপালি হুলো এলাকায় এমন এক প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের স্পট রয়েছে। এখানে ঘুরতে গেলে চোখ ও মন দুটোই প্রশান্তি পায়।
সবুজ শ্যামল ক্ষেতের সারি, পাশে মাছ চাষের ভেড়ি, সবুজ ফসলের মাঠ—সব মিলিয়ে গ্রাম্য পরিবেশের এক অনন্য রূপ সৃষ্টি করেছে। এই প্রাকৃতিক ছোঁয়ায় শহরের ক্লান্তি একেবারে দূর হয়ে যায়।
সামনেই শীত ঋতু, এসময় বাঙালির ঘুরতে যাওয়ার প্রীতি। বন্ধুবান্ধব, পরিবার বা পাড়া প্রতিবেশীদের সঙ্গে পিকনিক বা ঘোরাঘুরি—এই সময়ে প্রায় একটি নিত্য রেওয়াজ। আর যদি সেই স্থানটি হয় এমন সুন্দর গ্রাম্য পরিবেশ, তবে আনন্দের সীমা থাকে না।
শহরের কোলাহল থেকে দূরে, প্রকৃতির কোলে এই শান্ত ও নির্মল স্থানটি শীতের দিনে সময় কাটানোর জন্য এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা প্রদান করে। হলুদ সরিষার ফুল, সবুজ ফসলের মাঠ, পাখির কলতান—সব মিলিয়ে এটি প্রকৃতির সঙ্গে এক অনন্য সংযোগের স্থান।
কাজের ব্যস্ততা শেষে বা অফিসের ছুটি কাটিয়ে শিয়ালদহ স্টেশন থেকে হাসনাবাদ লোকাল ধরে চাঁপাপুকুর রেল স্টেশনে পৌঁছিয়ে মাত্র ২০–২৫ মিনিটের মধ্যে এই অপরূপ স্পটে পৌঁছনো যায়। ছোট্ট এই গ্রাম্য পরিবেশ কলকাতা শহরের কাছেই ভ্রমণের এক নতুন মাত্রা যোগ করে।
(Feed Source: news18.com)
