
সম্প্রতি গোয়ার এক চিকিৎসক তাঁর যাত্রাপথের কথা X (আগে টুইটার নামে পরিচিত) প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করেছেন, যেখানে তিনি জানিয়েছেন কীভাবে সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তিনি সেই পথটি বেছে নেননি।
তাঁর পোস্টে ডা. অংকুল সাধালে ২০১৯ সালের ঘটনা তুলে ধরেছেন, যখন তাঁর NEET পরীক্ষার ফল প্রত্যাশামতো হয়নি। তিনি লিখেছেন,
“এটা জুন ২০১৯। আমার প্রথম NEET প্রচেষ্টায় আমি ১ লক্ষেরও বেশি র্যাঙ্ক পেয়েছি। বাবা আমার ঘরে এসে বললেন, ‘আমরা এতটুকু টাকা জমিয়েছি যাতে তোমাকে কষ্ট করতে না হয়।’ আমি জানতাম, এটা একটা মিথ্যা কথা। আমরা ঋণ না নিয়ে এই টাকা জোগাড় করতে পারব না।”
it’s june 2019.
i have secured a rank of 1 lakh plus in my first Neet attempt.
my dad comes to my room and says,
“we have saved this much amount of money so you don’t have to struggle.”
i knew it was a lie, we couldn’t afford this without loan.
and i felt like a total loser… https://t.co/C6T4ZBV3fp pic.twitter.com/hbHd1kHoTC
— Dr. Anshul Sadhale (@AnshulGains) November 7, 2025
সেই মুহূর্তে বাবার কথাগুলো তাঁকে তাঁদের পরিবারের আর্থিক বাস্তবতা বুঝতে সাহায্য করে। তাঁরা বেসরকারি মেডিক্যাল সিটের বিশাল খরচ—যা সহজেই ১ কোটি টাকার বেশি হতে পারে বহন করতে পারতেন না। ডা. সাধালে স্বীকার করেছেন, সেই মুহূর্তে তিনি নিজেকে “পুরোপুরি ব্যর্থ” মনে করেছিলেন।
“কারণ বাবা তাঁর সাধ্যমতো চেষ্টা করেছেন আমাকে ও আমার বোনকে শিক্ষিত করতে। কিন্তু আমি বেসরকারি সিট নিয়ে সহজ পথে হাঁটতে চাইনি,” তিনি যোগ করেন।
কিন্তু হাল না ছেড়ে, ডা. সাধালে সাহসী এক সিদ্ধান্ত নেন:
“আমি এক বছর বিরতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম, এটা ছিল আমার ড্রপ ইয়ার।”
তিনি সেই বিরতির বছরটিকে জীবনের মোড় ঘোরানো সময় হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
“সেই বছরটা আমায় সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছিল। আমি একা ছিলাম, নানা কষ্টের মুখোমুখি হয়েছি, ঘরবন্দি ছিলাম, আর তখনই কোভিড শুরু হয়েছিল। কিন্তু এসবের পরও আমি দৃঢ় ছিলাম — আমি জানতাম, আমি নিজের কিছু গড়ে তুলতে চাই,” তিনি লিখেছেন।
