
শীতের মরশুমে বেঙ্গল সাফারির আকর্ষণ আরও বেড়ে গেল। এবার সাফারির পাখির তালিকায় যুক্ত হল দুটি নতুন নাম। এই দুই মনোমুগ্ধকর পাখির আগমনে শীতকালীন পর্যটকদের জন্য বেঙ্গল সাফারি এখন হয়ে উঠেছে আরও প্রাণবন্ত।
শীতের মরশুমে বেঙ্গল সাফারির আকর্ষণ আরও বেড়ে গেল। এবার সাফারির পাখির তালিকায় যুক্ত হল দুটি নতুন নাম— মৌটুসি ও চন্দনা। এই দুই মনোমুগ্ধকর পাখির আগমনে শীতকালীন পর্যটকদের জন্য বেঙ্গল সাফারি এখন হয়ে উঠেছে আরও প্রাণবন্ত।
বেঙ্গল সাফারিতে বর্তমানে মোট ১০১ প্রজাতির পাখি রয়েছে। এর মধ্যে ময়ূর, বক, মাছরাঙা, কাকাতুয়া, প্যাঁচা, বাজপাখি-সহ নানা দেশি ও বিদেশি প্রজাতির পাখি পর্যটকদের মন কাড়ছে। সেই তালিকায় এবার যোগ হল নতুন অতিথি মৌটুসি ও চন্দনা, যারা একেবারেই ভিন্ন প্রজাতির এবং রঙে, গঠনে ও আচরণে বিশেষ আকর্ষণীয়।
সাফারির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, এই দুই পাখিকে বিশেষভাবে যত্নে রাখা হচ্ছে। তাদের জন্য আলাদা ঘেরাও ও প্রাকৃতিক পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে, যাতে তারা নিজেদের আবাসস্থানের মতো পরিবেশে থাকতে পারে। এতে তাদের স্বাভাবিক চলাফেরার সুযোগও নিশ্চিত করা হয়েছে।
বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞদের মতে, বেঙ্গল সাফারির এই উদ্যোগ শুধু দর্শকদের আকর্ষণই বাড়াবে না, বরং বিরল প্রজাতির সংরক্ষণেও বড় ভূমিকা রাখবে। পাখি পর্যবেক্ষকদের কাছেও মৌটুসি ও চন্দনার আগমন এক নতুন অধ্যায় হয়ে উঠেছে।
এবার শীতকালে পর্যটকদের বিশেষ আকর্ষণ রূপে যোগ দিল এই দুই পাখি। প্রাকৃতিক পরিবেশে মৌটুসি ও চন্দনার মনোমুগ্ধকর উড়ান এবং ডাক শোনার সুযোগ মিলবে শিলিগুড়ির বেঙ্গল সাফারিতে। ফলে শীতের ছুটিতে দর্শকদের ভিড় আরও বাড়বে বলে আশাবাদী সাফারি কর্তৃপক্ষ। (ছবি ও তথ্য: ঋত্বিক ভট্টাচার্য)
(Feed Source: news18.com)
