)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ভারতে (India) একধরনের সংকট। ওদিকে বাংলাদেশে (Bangladesh) আর এক ধরনের। বুধের সকাল থেকেই থমথমে ঢাকা। খাঁ খাঁ পথঘাট। প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার মোড়েই সেনাপুলিস। ওদিকে সারা রাত ধরে চলেছে মশাল-মিছিল, স্লোগান, উত্তেজনা। বাংলাদেশে আজ, বুধবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ দিন। কেননা, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ উঠেছিল, সেই মামলার রায়দান কবে হবে (ahead of verdict in Sheikh Hasina trial), সেই ঘোষণাটাই হবে আজ।
হাসিনার ভাগ্য
আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে আজ, বুধবার, ১৩ নভেম্বর বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ শেখ হাসিনা-সহ তিন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলার রায়দানের তারিখ ঘোষণা করবে। প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও প্রাক্তন পুলিসকর্তা চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের নামও রয়েছে এ মামলায়। এর মধ্যে আবদুল্লাহ আল-মামুন রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন।
ইউনূসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ
গতকাল, মঙ্গলবার ঢাকার বিভিন্ন রাস্তায় ককটেল বোমা বিস্ফোরণ, গাড়িতে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। আওয়ামী লীগের সদস্য ও সমর্থকরা ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে এই বিক্ষোভ দেখিয়েছে বলে দাবি।
লকডাউন?
এদিকে, হাসিনার বিরুদ্ধে মামলায় রায়দানকে কেন্দ্র করে ঢাকা লকডাউন করার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ। তারা রাজধানীতে বড় অশান্তি বাধাতে পারে, এই আশঙ্কায় সকাল থেকেই নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিস, আমর্ড পুলিস ব্যাটেলিয়ন। এমনকী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (BGB)-ও মোতায়েন হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়েছে সেনাবাহিনীর টহল। মোট ১৭ হাজার পুলিস, সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।
নিরাপত্তা
গতকাল, মঙ্গলবার রাতেও ঢাকায় প্রবেশের প্রতিটি চেকপোস্টে তল্লাশি করা হয়েছে। বিভিন্ন হোটেল ও মেসে তল্লাশি চালানো হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসের বাসভবনের দিকে যান চলাচল বন্ধ। আওয়ামী লীগ অশান্তি করতে পারে, এই আশঙ্কায় ঢাকার পাশাপাশি গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জেও নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরেই উত্তপ্ত রয়েছে বাংলাদেশ। ঢাকার বিভিন্ন প্রান্তে ক্রুড বোমা হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে।
(Feed Source: zeenews.com)
