)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডের তদন্ত যত এগোচ্ছে ততই উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, দিল্লিতে বিস্ফোরণের আগে হরিয়ানার নুহ-তে লুকিয়ে ছিল ডা মহম্মদ উমর উর নবি। তার গাড়ির বিস্ফোরণেই ভয়ংকর ঘটনা ঘটে যায় লাল কেল্লা এলাকায়।
গোয়েন্দা সূত্রে খবর, ঘর থেকে সে বের হত উমর। একমাত্র সন্ধে নামলেই বাইরে পা রাখত। পাশাপাশি দিল্লিকে বিস্ফোরণের আগে সুইসাইড বোম্বার হওয়ার জন্য এক কাশ্মীরি যুবকের মগজধোলাই করেছিল উমর। রাজি হয়েও শেষপর্যন্ত সে পিছিয়ে যায়।
দিল্লি বিস্ফোরণে মারা গিয়েছেন মোট ১২ জন। গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, উমর উর নবি হোয়াইট কলার টেরর গ্রুপের অংশ ছিল। বিস্ফোরক রাখার অভিযোগে ডা মুজাম্মিল সাকিল ধরা পড়ার পর গত ৩০ অক্টোবর উমর আল ফালাহ মেডিক্যাল কলেজে থেকে চলে যায় হরিয়ানার নুহ। সেখানেই একটি ঘর ভাড়া করে থাকতে শুরু করে। ওই ঘরটি তাকে ভাড়া করে দেয় আল ফালাহর এক ল্যাব কর্মী। সেই এক কামরার ঘরের ভাড়া ছিল ২ হাজার টাকা। সন্ধে হলেই ঘর থেকে বের হত। একাধিক ফোন ব্যবহার করত সে। দিল্লি বিস্ফোরণে উড়ে যায় উমর।
তদন্তকারীদের হাতে এসেছে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। সেটি হল, উমর এক কাশ্মীরি যুবককে তার কাজের জন্য নিয়োগ করেছিল। সেই সুযোগ সে তার মগজ ধোলাই করত আত্মঘাতী বোমারু হওয়ার জন্য। হোটাইট কলার টেরর আউটফিটের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ছিল কাশ্মীরের দুই সংগঠন জৈশ এ মহম্মদ ও আনসার গাজওয়াতুল হিন্দের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল জৈশ এ মহাম্মদের। কিন্তু জম্মু কাশ্মীর ও হরিয়ানার কয়েকজন ডাক্তার গ্রেফতার হওয়ার পর সে উমরকে বলে দেয় যা তার কাজ করবে না। কারণ টাকাপসার অভাব ও সুইসাইড ইসলামে নিষিদ্ধ হওয়ার কারণে।
একেবারে ‘কট্টর জঙ্গি’ উমরের মূল লক্ষ্যই ছিল যে কোনও প্রকারে বিস্ফোরণ ঘটনো। আর সেই বিস্ফোরণের জন্যই সে এক কাশ্মীরি যুবককে জোগাড়ও করে ফেলে। এমনটাই জানিয়েছে ধৃত সেই যুবক। কুলগামের এক মসজিদে গ্রাজুয়েট সেই তরুণের সঙ্গে আলাপ হয় উমর নবির।
(Feed Source: zeenews.com)
