
তবে অ্যাশেজ় সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম দিন ধরলে পারথে সবচেয়ে বেশি উইকেট পড়ল। এর আগে ১৮৮৮ সালে সিডনিতে অ্যাশেজের একমাত্র টেস্টে প্রথম দিন ১৮ উইকেট পড়েছিল। ১৮৯৬ সালে অ্যাশেজ় সিরিজ়ের প্রথমম টেস্টে লর্ডসেও পড়েছিল ১৮ উইকেট।

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়া পঞ্চম ইংরেজ অধিনায়ক বেন স্টোকস। ব্রিসবেনে শেষবার এই কীর্তি গড়েছিলেন বব উইলিস। ১৯৮২ সালে। ৪৩ বছর পর সেই ক্লাবে স্টোকস।

মাত্র ৩৬ বলে ৫ উইকেট নিলেন স্টোকস। পরিসংখ্যান পাওয়া যায়, এরকম ম্যাচ ধরলে স্টোকসের ২৩ রানে পাঁচ উইকেট ইংরেজ পেসারদের মধ্যে তৃতীয় দ্রুততম পাঁচ উইকেট নেওয়ার নজির। ২০১৩ সালে লর্ডসে নিউজ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৩৪ বলে ও ২০১৫ সালে ট্রেন্ট ব্রিজে ১৯ বলে ৫ উইকেট করে তুলেছিলেন স্টুয়ার্ট ব্রড। তবে বিদেশে স্টোকসই দ্রুততম।

৫৮ রানে ৭ উইকেট টেস্ট ক্রিকেটে মিচেল স্টার্কের সেরা বোলিং ফিগার। গত জুলাইয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে ৯ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন। নিজের সেই রেকর্ড ছাপিয়ে গেলেন স্টার্ক।

টেস্টে স্টার্কের ১৭বার ইনিংসে পাঁচ বা তার বেশি উইকেট নেওয়ার নজির হয়ে গেল। অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের মধ্যে তৃতীয় সর্বোচ্চ। ভেঙে দিলেন গ্রাহাম ম্যাকেঞ্জির ১৬ বার পাঁচ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড।

অ্যাশেজ় সিরিজে ১০০ উইকেট হয়ে গেল স্টার্কের। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্টে একশোর বেশি উইকেট রয়েছে মাত্র ১১ জন ফাস্টবোলারের।

বেন স্টোকসকে এ নিয়ে ১০ বার আউট করলেন স্টার্ক। কোনও পেসার তাঁকে এতবার আউট করেননি। আর অশ্বিনের বলে স্টোকস সর্বোচ্চ ১৩ বার আউট হয়েছেন।

০/১। এই প্রথম অ্যাশেজ় সিরিজ়ের কোনও টেস্টে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া – দুই দলেরও কোনও রান ওঠার আগেই একটি করে উইকেট পড়ল। সব মিলিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে এই ঘটনা মোটে আটবার।

ইংল্যান্ডকে মোট ৩৮ টেস্টে নেতৃত্ব দিয়েছেন স্টোকস। এ নিয়ে মোটে দুবার ইংল্যান্ডের একাদশে কোনও স্পিনার নেই। – IANS
(Feed Source: abplive.com)
