Drone Attack on Kindergarten: কিন্ডারগার্টেনে ড্রোন হামলা! হাসপাতালে বোমা বিস্ফোরণ! ১১৪ জনের মৃত্যু! রক্তস্রোতে শিশুর দেহ…

Drone Attack on Kindergarten: কিন্ডারগার্টেনে ড্রোন হামলা! হাসপাতালে বোমা বিস্ফোরণ! ১১৪ জনের মৃত্যু! রক্তস্রোতে শিশুর দেহ…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: এতগুলি শিশুর মৃত্যু? ঘটনার ভয়াবহতায় আঁতকে উঠছে সারা বিশ্ব। আফ্রিকার (Africa) দেশ সুদানে (Sudan) একটি কিন্ডারগার্টেন-সহ (Deadly attack on kindergarten) একাধিক জায়গায় আধা সামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) হামলায় নিহত ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১৪। এর মধ্যে ৪৬ জনই শিশু।

সুদানের সাউথ করদোফানে

মর্মান্তিক এই হামলার ঘটনাটি ঘটেছে আফ্রিকার সুদানের সাউথ করদোফান রাজ্যের কালোগিতে। এটি ঘটে বৃহস্পতিবার। এর আগে গত শুক্রবার দিনের শেষে সুদানের চিকিৎসকদের জোট সুদান ডক্টরস নেটওয়ার্ক এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল, ঘটনাস্থলে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে দ্বিতীয়বারের মতো হামলার ঘটনা ঘটেছে।

দু’দফার রক্তাক্ত হামলা

সুদানের সরকার-সমর্থিত সুদানিজ আর্মড ফোর্সেসের (এসএএফ) দুটি সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার ওই কিন্ডারগার্টেনে আরএসএফ প্রথমবার হামলা চালায়। পর উদ্ধারকাজে সেখানে জড়ো হওয়া সাধারণ মানুষদের উপর আরেক দফা হামলা চালানো হয়। এ ছাড়া শহরের হাসপাতাল ও একটি সরকারি ভবনে বোমা হামলা চালানো হয়েছে।

ইউনিসেফের প্রতিনিধি

সুদানে ইউনিসেফের প্রতিনিধি শেলডন উয়েত শুক্রবার বলেন, নিজের বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শিশুদের হত্যা করা শিশু অধিকারের চরম লঙ্ঘন। বিবদমান সব পক্ষের প্রতি অবিলম্বে এমন সংঘাত বন্ধের আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, শিশুদের কখনওই সংঘাতের মূল্য চোকানো উচিত নয়।

মানবাধিকার লঙ্ঘন

সুদান ডক্টরস নেটওয়ার্ক বলেছে, অসামরিক মানুষজন ও গুরুত্বপূর্ণ ভবনে একের পর এক হামলা চলে। ধারাবাহিকতায় চালানো এই হামলা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের গুরুতর লঙ্ঘন।

বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

জানা যাচ্ছে, যত জনের মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া গিয়েছে, হতাহত মানুষের প্রকৃত সংখ্যা তার চেয়ে বেশি। এবং নিহত মানুষের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। তাছাড়া, হামলায় আহত ব্যক্তিদের জরুরি চিকিৎসা পেতেও নানা সমস্যা হচ্ছে।

কেন লড়াই?

২০২৩ সাল থেকে সুদানের সেনাবাহিনীর সঙ্গে আরএসএফের লড়াই চলছে। দেশের কেন্দ্র ও পূর্বাঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে সেনাবাহিনী। আর আরএসএফ ধরে রেখেছে পশ্চিমাঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ। পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে বিশেষ করে উত্তর করদোফান ও দারফুর অঞ্চলে নিজেদের প্রভাব জোরদার করতে চাইছে তারা। আর দুই পক্ষের এই মর্মান্তিক সংঘাতে দরিদ্র দেশটির লক্ষ লক্ষ মানুষ নিয়মিত বাস্তুচ্যুত হচ্ছেন।

(Feed Source: zeenews.com)