
আবর্জনা প্লাস্টিক কে কুড়িয়ে ইকো ব্রিক্স অর্থাৎ ইঁট তৈরি করে নজর কাড়লেন মালদহ কলেজের পড়ুয়ারা। ফেলে দেওয়া প্লাস্টিকের বোতলে প্লাস্টিক সামগ্রী আবর্জনা ভরে ইকো ব্রিক্স তৈরি করে নির্মাণ করলেন আস্ত একটি সেলফি জোন। এক একটি বোতলে তিন থেকে চার কেজি কুড়ানো আবর্জনা প্লাস্টিক ভরে করে তৈরি করছেন ইকো ব্রিক্স অর্থাৎ প্লাস্টিকের ইঁট।
মালদহ কলেজ ক্যাম্পাস
মালদহ, জিএম মোমিন: দূষণমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে অভিনব উদ্যোগ কলেজ পড়ুয়াদের। বাড়ির আশপাশ থেকে রাস্তাঘাট বিভিন্ন জায়গায় ফেলে দেওয়া প্লাস্টিক সামগ্রী কুড়িয়ে অভিনব নির্মাণ কলেজ পড়ুয়াদের। আবর্জনা প্লাস্টিককে কুড়িয়ে ইকো ব্রিক্স অর্থাৎ ইঁট তৈরি করে নজর কাড়লেন মালদহ কলেজের পড়ুয়ারা। ফেলে দেওয়া প্লাস্টিকের বোতলে প্লাস্টিক সামগ্রী আবর্জনা ভরে ইকো ব্রিক্স তৈরি করে নির্মাণ করলেন আস্ত একটি সেলফি জোন।
এক একটি বোতলে তিন থেকে চার কেজি কুড়ানো আবর্জনা প্লাস্টিক ভরে করে তৈরি করছেন ইকো ব্রিক্স অর্থাৎ প্লাস্টিকের ইঁট। এক কলেজ পড়ুয়া অর্পিতা পাল জানান, “বর্তমানে ব্যাপকভাবে প্লাস্টিক ব্যবহারের প্রচলন দেখা দিচ্ছে সমাজে। যার ফলে অধিকাংশ পরিমাণে পরিবেশ দূষণ দেখা দেয়। তাই দূষণমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে ফেলে দেওয়া প্লাস্টিক থেকে ইকো ব্রিক্স তৈরি করা হচ্ছে। এই ইকো ব্রিক্স থেকে বিভিন্ন রকম নির্মাণ করছেন তাঁরা।”
এই বিষয়ে মালদহ কলেজের শিক্ষক সংসদের সম্পাদক পীযূষ কান্তি সাহা জানান, “পড়ুয়াদের এমন উদ্যোগ প্লাস্টিক দূষণ সমাজকে মুক্ত পরিবেশ ও পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনায় সাধারণ মানুষকে সচেতন করবে। বাংলা, অংক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান সহ একাধিক বিভাগের ছাত্র ছাত্রীরা নিজেরাই এমন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তাঁদের এমন চিন্তাভাবনা আগামীতে প্লাস্টিক মুক্ত সমাজ গড়ার জন্য অন্যতম ভূমিকা পালন করবে।”
মালদহ কলেজ ক্যাম্পাসে ইকো ব্রিক্স ইউনিটে এসে প্রতিদিন দুটি তিনটি করে আবর্জনা প্লাস্টিক ভর্তি বোতল এনে জমা করছেন পড়ুয়ারা। সেই প্লাস্টিক দিয়েই তৈরি করছেন কলেজের একাধিক আধুনিক নির্মাণ। কলেজ পড়ুয়াদের এমন অভিনব নির্মাণ দেখে প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন অধ্যাপক থেকে শিক্ষক মহল।
