
অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে বন্ডি বিচে চলছিল ইহুদিদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান Hanukkah এবং ঘটনার দিন ছিল উৎসব উদযাপনের প্রথম দিন। সেই দিনই ২ বন্দুকবাজের এলোপাথাড়ি গুলিতে অন্তত ১৫ জনের মৃত্যুর খবর এখনও পাওয়া গিয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। সিডনিতে হওয়া এই হামলাকে আগেই ‘জঙ্গি হামলা’ বলে ঘোষণা করেছে সেদেশের পুলিশ। জোরকদমে চলছে তদন্ত। তদন্তকারীরা প্রাথমিক তদন্তের পর অনুমান করছেন, সম্ভবত এই হামলা চালানো হয়েছে ইসলামিক স্টেট অর্থাৎ আইএস- এর মদতে।
তেলেঙ্গানা পুলিশের ডিজি জানিয়েছেন, সাজিদ আক্রম হায়দরাবাদের বাসিন্দা ছিল। ১৯৯৮ সাএর নভেম্বর মাসে অস্ট্রেলিয়া চলে যায় সে। প্রথমে স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে অস্ট্রেলিয়া গিয়েছিল সাজিদ। ভারত ছাড়ার আগে হায়দরাবাদে কমার্সে ব্যাচেলর ডিগ্রির পড়াশোনা শেষ করেছিল এই সাজিদ এবং তারপর কাজের খোঁজে ভারত ছেড়েছিল, এমনটাই জানিয়েছে পুলিশ। প্রায় ২৭ বছর ধরে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছিল এই সাজিদ আক্রম। আর সেই সময়ে হায়দরাবাদে তার পরিবারের সঙ্গে বিশেষ যোগাযোগও ছিল না তার। তেলেঙ্গানা পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা এও জানিয়েছেন যে, সাজিদের কথিত মৌলবাদের সঙ্গে ভারতের কোনও যোগ পাওয়া যায়নি।
শেষবার ভারতে এসেছিলেন ২০২২ সালে। সেই সময় তার সঙ্গে ছিল ভারতীয় পাসপোর্ট। তবে পুলিশ সূত্রে খবর, সাজিদের এক ছেলে এবং এক মেয়ের জন্ম হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ায় এবং তারা অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। সাজিদ আক্রমের সঙ্গে পরিবারের সম্পর্ক খারাপ হয়েছিল অনেক আগেই। পারিবারিক বিবাদের জেরে তার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে হায়দরাবাদে থাক পরিবারের সদস্যরা। বন্ডি বিচের হামলার অনেক আগে থেকেই আত্মীয় পরিজনের সঙ্গে আর যোগাযোগ ছিল না সাজিদের। এমনকি ২০১৭ সালে তার বাবা মারা গেলে শেষকৃত্যেও আসেনি সাজিদ, এমনটাই খবর পুলিশ সূত্রে। আরও জানা গিয়েছে, অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার পর এক ইউরোপীয় বংশোদ্ভূত মহিলা ভেনেরা গ্রসোকে বিয়ে করেছিল সাজিদ। দম্পতির এক ছেলে এবং মেয়ে হয়। ছেলে নাম নাভিদ। অস্ট্রেলিয়াতেই পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করে সাজিদ ও তার পরিবার।
তথ্যসূত্র- এনডিটিভি
(Feed Source: abplive.com)
