অতিপ্রাকৃতিক বৈজ্ঞানিক ঘটনাকে জুড়ে দেওয়া হল কাব্যিক ত্রিকোণ প্রেমের গল্পের মাধ্যমে, আসছে নতুন বাংলা ছবি “পয়লা বৈশাখ – এ জার্নি থ্রু টাইম”

অতিপ্রাকৃতিক বৈজ্ঞানিক ঘটনাকে জুড়ে দেওয়া হল কাব্যিক ত্রিকোণ প্রেমের গল্পের মাধ্যমে, আসছে নতুন বাংলা ছবি “পয়লা বৈশাখ – এ জার্নি থ্রু টাইম”

একটি অতিপ্রাকৃতিক বৈজ্ঞানিক ঘটনাকে একটি কাব্যিক ত্রিকোণ প্রেমের গল্পের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন পরিচালক অর্ক দাশগুপ্ত৷ এই ছবির মাধ্যমে নতুন প্রজন্মরা আবেগ ও যুক্তিগত ভাবে উভয়ভাবেই একাত্ব হতে পারে।

কলকাতা: অতি স্বাধারণ মধ্যবিত্ত ইন্দ্রর জীবন সম্পূর্ণভাবে বদলে যায় একটা রাতের একটা ছোট্ট ঘটনায়। ইন্দ্রর সদ্য চাকরি পাওয়ার আনন্দে ইন্দ্র, তার জামাইবাবু রণজিৎ এবং তার খুব কাছের বন্ধু অনির্বাণ একসঙ্গে পার্টি করছিল। এবং এই পার্টির শেষেই এক অপ্রাকৃতিক ঘটনায় ইন্দ্র আটকে যায় একটা নির্দিষ্ট দিনে – পয়লা বৈশাখে। ইন্দ্রর প্রেমিকা মৌমিতা ও তার বন্ধুবান্ধব এবং তার পরিবারের সকলের কেউই ইন্দ্রর এই পরিস্থিতি সম্পর্কে জানত না আর দিনের- পর দিন একইভাবে একই দিন কাটাতে কাটাতে ইন্দ্র ধীরে ধীরে আশা হারিয়ে ফেলতে থাকে আর অস্থিরতায় ভুগতে থাকে। তার আশেপাশের কেউই তাকে বিশ্বাস বা সাহায্য করে না। এরকম এক চরম পরিস্থিতিতে নার্গিসের সঙ্গে ইন্দ্রর দেখা হয়। নার্গিস একজন বিজ্ঞানী, সে নিজেও ইন্দ্রর মতো একই দিনে অর্থাৎ পয়লা বৈশাখে আটকে রয়েছে। ইন্দ্র নার্গিসের থেকে জানতে পারে যে তাদের এই অতি প্রাকৃতিক সময়যাত্রার মূলে রয়েছে একটা বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা যা কিনা নার্গিস আর তার বাবা প্রফেসর আহমেদ একসঙ্গে আমেরিকায় করছিল। ইন্দ্র আর নার্গিস দু’জনে মিলে এবং প্রফেসর আহমেদের ফেলে যাওয়া প্রতিটি সূত্রকে পর্যবেক্ষণ করে তাদের সঙ্গে ঘটা এই ঘটনার সমাধান করার চেষ্টা করে। কিন্তু সময় তাদের সঙ্গে আবার বিশ্বাসঘাতকতা করে, তারা লক্ষ্য করে তাদের প্রতিটা দিন অর্থাৎ প্রতিটা পয়লা বৈশাখ ক্রমশ ছোট হয়ে যাচ্ছে। এবং পুরো পৃথিবী তাদের থেকে অনেক বেশি তাড়াতাড়ি চলতে শুরু করেছে, এবং তারা এই পয়লা বৈশাখ সময় প্রবাহর তুলনায় ধীর গতি হয়ে পড়েছে। নার্গিস তার টাইম ডাইভার্জেন্স সিগন্যাল রিপিটার মেশিন পরীক্ষা করে বুঝতে পারে, তারা একটা স্পেস টাইম ভরটেক্সে আটকে পড়েছে। এরপর কীভাবে এগোবে গল্প, তা বলবে “পয়লা বৈশাখ – এ জার্নি থ্রু টাইম”