
নিজের কার্যালয়ে অ্যাডভাইসারস কাউন্সিল কমিটি অন গভর্নমেন্ট পারচেজ-এর মিটিংয়ের পর সাংবাদিকদের আর্থিক উপদেষ্টা বলেন, “ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের উন্নতি করার চেষ্টা করছেন মুখ্য উপদেষ্টা।” এনিয়ে তিনি নিজেও বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে কথা বলছেন। তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়, ইউনূস কি সরাসরি ভারতের সঙ্গে কথা বলেছেন ? এর উত্তরে সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “মুখ্য উপদেষ্টা সরাসরি কথা বলেননি। কিন্তু, এ বিষয়ে জড়িত সকলের সঙ্গে কথা বলেছেন। রাজনৈতিক বিবেচনার সঙ্গে আমাদের বাণিজ্য নীতি জড়িত নয়। ভিয়েতনাম বা অন্য কোনও জায়গার পরিবর্তে যদি ভারত থেকে চাল আমদানি করা সস্তার হয়, তাহলে ভারত থেকে তা কেনাটাই যুক্তিযুক্ত হবে।” ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও খারাপ হবে না বলে আশাবাদী উপদেষ্টা।
১৯৭১ সালে পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে ঢাকা-নয়াদিল্লি সম্পর্ক এই মুহূর্তে তলানিতে পৌঁছেছে বলে কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন। দুই দেশের রাষ্ট্রদূতদের বারবার তলব করা হচ্ছে এবং দুই দেশের রাজধানী এবং অন্যত্র বাংলাদেশি ও ভারতীয় মিশনের সামনে চলছে বিক্ষোভ। কিন্তু উপদেষ্টা বলছেন, “অত খারাপ পর্যায়েও পৌঁছায়নি পরিস্থিতি। বাইরে থেকে মনে হতে পারে, অনেক কিছু ঘটছে। যদিও কিছু মন্তব্য বেরিয়েছে, যেগুলো বন্ধ করা মুশকিল। দুই দেশের মধ্যে আমরা কোনও তিক্ততা চাই না। বাইরে থেকে কেউ যদি সমস্যায় প্ররোচনা দেওয়ার চেষ্টা করে, সেটা কোনও দেশেরই স্বার্থে নয়। এই ঘটনাগুলি জাতীয় অভিব্যক্তির প্রতিনিধিত্ব করে না, বরং বাংলাদেশের জন্য জটিল পরিস্থিতি তৈরি করছে।”
বেশ কিছু দিন ধরেই বাংলাদেশ থেকে ভারতবিরোধী মন্তব্য উড়ে আসছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস পর্যন্ত ভারতের উত্তর-পূর্ব অংশ নিয়ে উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছেন। পাকিস্তানের সঙ্গে ইদানীংকালে তাঁর সরকারের দহরম মহরম যত বেড়েছে, ততই ভারতবিরোধী মানসিকতা উন্মোচিত হয়েছে।
(Feed Source: abplive.com)
