
বীভৎস, কুৎসিত, নৃশংস। কোনও শব্দই যেন যথেষ্ট নয়। নৈরাজ্যের বাংলাদেশে উন্মত্ত দুর্বৃত্তরা এভাবেই পিটিয়ে খুন করে ময়মনসিংহের ভালুকার বাসিন্দা দীপুচন্দ্র দাসকে। নারকীয়ভাবে হত্যার পর সবার চোখের সামনে জ্বালিয়ে দেওয়া হয় মৃতদেহ। অভিযোগ, গোটা ঘটনাই হয়েছে ভালুকা থানার পুলিশের সামনেই !
স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন দীপু। ময়মনসিংহের ভালুকায় ভাড়াবাড়িতে থাকতেন। হাসিনা-বিরোধী ছাত্রনেতা শারিফ ওসমান হাদির খুনের জেরে বাংলাদেশ জুড়ে নৈরাজ্য়ের আগুন জ্বলতে শুরু করে। রাত ৯টা নাগাদ বিক্ষোভের মাঝে পড়ে যান দীপু দাস। তাঁকে পিটিয়ে খুন করে দেহে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় ! নারকীয় এই ঘটনায় দেড় বছরের ছেলেকে নিয়ে কার্যত শোকে পাথর হয়ে গিয়েছেন নিহত দীপু দাসের স্ত্রী। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্যকে হারিয়ে অকূলপাথারে দীপু দাসের বাবা-মা, ভাইয়েরাও। যদিও দীপুর পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে মহম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার।
এরই মধ্যে সামনে এসেছে দুষ্কৃতীদের নৃশংসতার আরও এক হাড় হিম করা নজির ! রাজবাড়ি এলাকায় ফের এক হিন্দু যুবককে পিটিয়ে খুন করে দুষ্কৃতীরা।
যদিও বাংলাদেশ পুলিশ সূত্রে দাবি, হোসেনডাঙা পুরাতন বাজার এলাকায় এক ব্যক্তির থেকে তোলা দাবি করেন অমৃত মণ্ডল ওরফে সম্রাট। অভিযোগ, রাজি না হওয়ায় দলবল নিয়ে গিয়ে তাঁর বাড়িতে চড়াও হন। সেইসময়ই আশেপাশের লোকজন ছুটে আসে। সম্রাটকে বেধড়ক মারধর করা হয়। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্য়ু হয়। একের পর এক হিন্দু হত্যার ঘটনায় কড়া বার্তা দিয়েছে ভারত।
(Feed Source: abplive.com)
