
যে ২ ট্রেনের সংঘর্ষ হয়েছে, তার একটি ছিলেন ১০৯ জন লোক। অন্যটিতে ছিল বেশ কিছু যন্ত্রপাতি, সরঞ্জাম। পিপালকোটি সুড়ঙ্গে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল এইসব। সেখানে একটি প্রোজেক্ট চলছে যা THDC- এর আওতাধীন। এই যাত্রাপথেই ২টি ট্রেনের সংঘর্ষ হয় বলে খবর। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, সুড়ঙ্গে লোকো ট্রেন পাঠানো হয় কর্মীদের এবং কাজের সরঞ্জাম নিয়ে যাওয়ার জন্য। এক্ষেত্রে টানেলের ভিতর নির্মাণ কাজের জন্যই ২টি লোকো ট্রেনের একটিতে কর্মীদের, অন্যটিতে কাজের জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। আর সেই সময়েই ঘটে অঘটন।
কয়েকদিন আগেই বিহারেও ভয়ানক একটি ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটেছে
বছর শেষের মুখে বিহারে ফের রেল দুর্ঘটনা। লাইনচ্যুত হয়ে নদীতে পড়ে গেল সিমেন্ট বোঝাই মালগাড়ির বেশ কয়েকটি বগি। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে জসিডি-ঝাঝা রুটে। পূর্ব রেল সূত্রে খবর, ২৭ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ বিহারের জামুইয়ে বড়ুয়া নদীর ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় মালগাড়ির অন্তত ১৯টি কামরা বেলাইন হয়ে যায়। সেতুর উপর থেকে মালগাড়ি নীচে পড়ে যায়। ১৯টি বগির মধ্যে ১০টি সটান গিয়ে পড়ে বড়ুয়া নদীতে। মালগাড়ির দু’টি বগিকে সেতু থেকে বিপজ্জনক ভাবে ঝুলতে দেখা যায়। দুর্ঘটনার জেরে জসিডি-ঝাঝা রুটে আপ ও ডাউন লাইনে দীর্ঘক্ষণ ব্যাহত হয় ট্রেন চলাচল। ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন RPF, রেল পুলিশ-সহ উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয় দুর্ঘটনাগ্রস্ত কামরা সরানোর পাশাপাশি লাইন পরিষ্কারের কাজ। রেল সূত্রে খবর, শিমুলতলা সংলগ্ন টেলবা হল্টের কাছে আচমকাই রেললাইন থেকে ছিটকে যায় মালগাড়িটি। ঝাঝার দিকেই ছুটে যাচ্ছিল দুরন্ত গতিতে। সেই সময় তীব্র শব্দে টনক নড়ে সকলের। গিয়ে দেখা যায়, সেতুর উপর থেকে বিপজ্জনক ভাবে ঝুলে রয়েছে দু’টি বগি। বাকি নদীতে গিয়ে পড়েছে।
(Feed Source: abplive.com)
