Greenland: ভেনেজুয়েলার পরে এবার গ্রিনল্যান্ড? আমেরিকা দখল করবে এই বরফদেশ? ট্রাম্প কি World War III-র দিকেই যাচ্ছেন?

Greenland: ভেনেজুয়েলার পরে এবার গ্রিনল্যান্ড? আমেরিকা দখল করবে এই বরফদেশ? ট্রাম্প কি World War III-র দিকেই যাচ্ছেন?

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ক’দিন আগেই ভেনেজুয়েলায় (Venezuela) অভিযান চালিয়ে প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে (Venezuela President Nicolas Maduro) তুলে এনেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদকপাচার থেকে শুরু করে মারাত্মক সব অভিযোগ এনেছেন তিনি। এবার কি ট্রাম্পের নজর গ্রিনল্যান্ডের (Greenland) দিকে? সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে আমেরিকার গ্রিনল্যান্ড দরকার। তারপর থেকেই কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে, আমেরিকা হয়তো গ্রিনল্য়ান্ড দখল করে নিতে পারে। এই আবহে গ্রিনল্যান্ডের অভিভাবক ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মার্কিন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন। তিনি সাফ বলেছেন, গ্রিনল্যান্ড বিক্রি নেই!

গ্রিনল্যান্ড দখল

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের জন্য সামরিক শক্তির ব্যবহার করতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছিল। হোয়াইট হাউসের তরফে এমন তথ্য মিলেছে যে, এ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে নাকি আলোচনা করেছেন ট্রাম্প। গ্রিনল্যান্ড ন্যাটো জোটভুক্ত দেশ ডেনমার্কের একটি আধা স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। কিন্তু হোয়াইট হাউস বলেছে, এটিকে অধিগ্রহণ করা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তামূলক অগ্রাধিকারের জায়গা। তাই নাকি? এ ঘটনা যদি সত্য হয়, তবে তো বিরাট বড় খবর।

গ্রিনল্যান্ডের পাশে মিত্রদেশ

ইউরোপীয় নেতারা ডেনমার্কের পক্ষে সমর্থন জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন। ছ’টি ইউরোপীয় মিত্রদেশ ডেনমার্কের প্রতি তাদের সমর্থন প্রকাশ করেছে। ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, পোল্যান্ড ও স্পেন। এদের সঙ্গে ডেনমার্কের নেতারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, গ্রিনল্যান্ড তার জনগণের। তাঁদের বিষয়ে শুধু ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডই সিদ্ধান্ত নিতে পারে। বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী ইউরোপীয় দেশগুলির দাবি, উত্তর মেরু অঞ্চলের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে তারা আমেরিকার মতোই আগ্রহী। তারা রাষ্ট্রসংঘের সনদের নীতি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে। সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও সীমান্তের অলঙ্ঘনীয়তা– এগুলিই  এই নীতির অংশ।

আমেরিকার প্রয়োজন গ্রিনল্যান্ড

তবে ট্রাম্প আবারও বলেছেন, নিরাপত্তার কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ডকে প্রয়োজন। এর প্রতিক্রিয়ায় ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো হামলা হলে, তা ন্যাটো জোটের অবসানের সূচনা ঘটাবে। পশ্চিমি সামরিক জোট ন্যাটোর কোনো সদস্যদেশে বাইরে থেকে হামলা হলে মিত্রদেশগুলি একে অপরকে সহায়তা করবে বলে মনে করা হয়।

ভেনেজুয়েলার পরে

সম্প্রতি ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযান চালিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তারপরই অনেকগুলি দেশের নাম শোনা যাচ্ছের– কিউবা, কলম্বিয়া, ইরান। এবং গ্রিনল্যান্ডও। অনেকদিন পরে এই আবহে গ্রিনল্যান্ডের বিষয়টি ফের আলোচনায় উঠে এসেছে। মার্কিন বিশেষ বাহিনী ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আমেরিকায় তুলে নিয়ে গিয়েছে। মাদক ও অস্ত্রসংক্রান্ত অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি করতে মাদুরোকে নিউ ইয়র্কে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

(Feed Source: zeenews.com)