Iran unrest: খামেইনিকে পালাতে হবে! ট্রাম্পের হুংকারে ইরানে যুদ্ধের প্রস্তুতি, রাস্তায় বিদ্রোহীদের আস্ফালন…

Iran unrest: খামেইনিকে পালাতে হবে! ট্রাম্পের হুংকারে ইরানে যুদ্ধের প্রস্তুতি, রাস্তায় বিদ্রোহীদের আস্ফালন…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: প্রতিবাদে-বিক্ষোভে উত্তাল ইরান (Iran protests)। ইরানে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট। এখনও পর্যন্ত ৪২ জনের মৃত্যু ঘটেছে। ভয়ংকর খারাপ অবস্থা ইরানে। সপ্তাহখানেক ধরে সেখানে মুদ্রাস্ফীতির (Inflation) ভয়ংকর চেহারা নিয়ে দেখা দিয়েছে। দেশের আর্থিক কাঠামো একেবারে ভেঙে (ailing economy) পড়েছে। এর জেরে ইরান জুড়ে চলছে ক্ষোভ-বিক্ষোভ প্রতিবাদ। মোল্লাতন্ত্র-বিরোধী আন্দোলনে ক্রমশ হিংসাত্মক হয়ে উঠেছে গোটা দেশ। ইরানের শিয়া ধর্মগুরু তথা শীর্ষ ধর্মনেতা আয়াতোল্লা আলি খামেইনির (Ayatollah Ali Khamenei) বিরুদ্ধে দেশের সর্বস্তরের মানুষের বিদ্রোহ ঘোষিত হয়েছে। আর সেদেশের এই উত্তাল পরিস্থিতির সঙ্গে নাম জড়িয়ে গিয়েছে আমেরিকার, ডোনাল্ড ট্রাম্পের।

খোমেইনির আসন টলোমলো?

হাজার হাজার মানুষ পথে। উত্তাল ইরানের রাস্তাঘাট। চল্লিশের বেশি মানুষের মৃত্যু। বহু বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে, আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে বিশাল বিশাল সব মূর্তিতে। দেশের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অশান্ত গোটা দেশ! ক্রমশ নিম্নমুখী অর্থনীতির জেরে ক্ষুব্ধ দেশবাসী। দেশ জুড়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট সংযোগ। খোমেইনির আসন কি টলোমলো? দেশ ছেড়ে কি পালাতে হবে তাঁকে?

নববর্ষের লগ্নে

ইরানে নিউইয়ার-লগ্নেই পথে নেমে পড়েন বিক্ষোভকারীরা। পুলিসের সঙ্গে দফায়-দফায় সংঘর্ষ হয় তাঁদের। আন্দোলনের শুরুর দিকে ছাত্রসমাজ এই আন্দোলনের মুখ ছিল। তেহরানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা ‘স্বৈরতন্ত্র নিপাত যাক’ স্লোগান নিয়ে মিছিল বের করেন। একই সঙ্গে শোনা গিয়েছে প্রাক্তন শাহ পরিবারের সদস্য রেজা পাহলভির সমর্থনে স্লোগান। নির্বাসনে থাকা রেজা পাহলভিও সোশ্যাল মিডিয়ায় বিক্ষোভকারীদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। তাঁর দাবি, বর্তমান শাসনব্যবস্থা বহাল থাকলে ইরানের অর্থনীতি আরও ধ্বংসের মুখে পড়বে। মোটকথা, ইরানে যেখানে যাঁরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন, সেখানেই তাঁরা একমত যে, যতক্ষণ দেশের অর্থনৈতিক দুরবস্থা চলতে থাকবে, যতদিন আরও দুর্দশা নেমে আসতে থাকবে, আর ততদিনই এই বিক্ষোভ চলতে থাকবে। কিন্তু প্রশ্ন ওঠে, এর পিছনে কি আমেরিকা আছে?

পিছনে ট্রাম্প?

‘রিয়ালে’র ক্রমাবনতি ভীতিপ্রদ হয়ে উঠছে ইরানে। এতে দেশের মানুষের জীবনযাত্রা দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। সপ্তাহখানেক ধরে ইরানের রাজধানী তেহরানে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ চলেছে। এই অবস্থায় দেশবাসীর জীবনরক্ষা ও দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসা জরুরি বলে মনে করেছিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। সকলেই জানতে চাইছেন, ইরানের এই ভয়াবহ আর্থিক সংকটের পিছনে কার হাত রয়েছে? আমেরিকার? অন্তত অনেকেরই সন্দেহ তেমনই। শুধু তাই নয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ধর্মগুরু খোমেইনির একগুঁয়েমিকে না মানতে পারাটা সেই দেশের পক্ষে বড় মাপের বিপদ বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন অনেকেই। ট্রাম্পই কি এবার আসরে নেমে পড়বেন? আক্রমণ করবেন ইরান? গত রবিবারই ইরানকে সতর্ক করে ট্রাম্প বলেছেন,  ইরানে যে বিক্ষোভ চলছে, তাতে আরও মানুষ নিহত হওয়ার খবর এলে আমেরিকা ভয়ংকর কঠোর ভাবে আঘাত করবে ইরানকে!  সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েও ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা বিষয়টি খুব কড়া ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। তারা যদি আবার হত্যালীলা শুরু করে তবে আমেরিকার পক্ষ থেকে কঠোর প্রতিক্রিয়া আসবে।’ কীরকম প্রতিক্রিয়া?ট্রাম্প কি বন্দি করবেন খোমেইনিকে? খোমেইনিকে কি শেষ পর্যন্ত পালাতে হবে দেশ ছেড়ে?

(Feed Source: zeenews.com)