
ইরানে তীব্র হচ্ছে আর্থিক সঙ্কট। তার প্রতিবাদে সেখানকার বিভিন্ন শহরে জ্বলছে বিক্ষোভের আগুন। এই আবহে সতর্ক করলেন ট্রাম্প। মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, প্রতিবাদ চলাকালীন সংঘর্ষের জেরে ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। তেহরান যেভাবে এই অশান্তি সামলাচ্ছে তা নিয়ে উদ্বেগ ছড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। সাক্ষাৎকার পর্বে হিউইট উল্লেখ করেন যে, প্রতিবাদ চলাকালীন অশান্তির জেরে ইতিমধ্যে বেশ কয়েক জনের মৃত্যু হয়েছে। তার জবাব ট্রাম্প বলেন, ‘পদপিষ্ট হয়ে কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে। আমি নিশ্চিত নই, আমি এর জন্য কাউকে দায়ী করতে পারি। ওদের খুব কঠোরভাবে বলে দেওয়া হয়েছে-আমি এখন আপনার সঙ্গে যেভাবে কথা বলছি তার থেকেও জোরালভাবে-যে এটা যদি ওরা করে, ওদের নরক-যন্ত্রণা সহ্য করতে হবে।’ সরকার-বিরোধী প্রতিবাদ নিয়ে ইরানের প্রতি তাঁর কী বার্তা ? এই প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেন, “আপনাদের স্বাধীনতা দৃঢ়ভাবে অনুভব করা উচিত। আপনারা সাহসী মানুষ। আপনাদের দেশের সঙ্গে যা ঘটেছে তা দুঃখজনক। আপনাদের দেশ একটি মহান দেশ ছিল।”
এই পরিস্থিতিতে ইন্টারনেট মনিটরিং গ্রুপ নেটব্লকস অনুসারে, অর্থনৈতিক সঙ্কটের কারণে শুরু হওয়া বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে বৃহস্পতিবার ইরানে দেশব্যাপী ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট শুরু হয়েছে। তেহরান এবং মাশহাদ ও ইসফাহান সহ প্রধান শহরগুলির প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন যে, বিক্ষোভকারীরা ইরানের ধর্মীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে দিতে রাস্তায় নেমে এসেছেন। এই পরিস্থিতিতে এক্স হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও বার্তায়, ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবে উৎখাত হওয়া প্রয়াত শাহের পুত্র ও নির্বাসিত বিরোধী-মুখ রেজা পাহলভি ইরানের মানুষের উদ্দেশে আর্জি জানিয়েছেন, প্রতিবাদ জারি রাখতে। যাচাই না হওয়া বিভিন্ন সোশাল মিডিয়া পোস্টে দেখা গেছে যে, বেশ কয়েকটি শহরে পাহলভি-পন্থী স্লোগান তোলা হয়েছে, যদিও ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম দাবি করেছে যে দেশজুড়ে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
(Feed Source: abplive.com)
