Record Trade Surplus: ৭,৬৫,০০,০০,১৮,০৬,০০০ টাকা! মার্কিনি শুল্ক-ধাক্কার পরেও রেকর্ড বাণিজ্য উদ্বৃত্ত নিয়ে ট্রাম্পের মুখে ঝামা ঘষল…

Record Trade Surplus: ৭,৬৫,০০,০০,১৮,০৬,০০০ টাকা! মার্কিনি শুল্ক-ধাক্কার পরেও রেকর্ড বাণিজ্য উদ্বৃত্ত নিয়ে ট্রাম্পের মুখে ঝামা ঘষল…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ৭,৬৫,০০,০০,০০,০০,০০০ টাকা! পড়তে পারছেন কত টাকা? আদতে পরিমাণটা এর চেয়েও বেশি। পোশাকি টার্মে বিষয়টা ১.২ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মানে, উপরের ওই দৈত্যাকার সংখ্যাটার সঙ্গে যোগ হবে আরও ১৮,০৬,০০০ কোটি ভারতীয় টাকা! সে এক অবিশ্বাস্য পরিমাণ! ৭,৬৫,০০,০০,১৮,০৬,০০০ টাকা! না ভারতের সঙ্গে এর কোনও যোগ নেই। এটা চিনের টাকা। ঘটনা হল, ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রশাসন চিনের উৎপাদন ক্ষমতা কমিয়ে অন্য বাজারে অর্ডার সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেও ২০২৫ সালে চিন রেকর্ড বাণিজ্য উদ্বৃত্ত (রপ্তানি-আমদানির ফারাক) অর্জন করেছে (China’s trade surplus hit a record $1.2 trillion in 2025)! পরিমাণটা ওই প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার কোটি ডলার!

শুল্ক-উত্তেজনা থেকে সক্ষমতা

গত বছরের জানুয়ারিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ফেরার পর নতুন করে শুল্ক নিয়ে উত্তেজনা শুরু হয়। তবে চিনের কোম্পানিগুলি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই শুল্কের ধাক্কা সামলাতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার দেশগুলিতে তাদের মনোযোগ সরিয়ে নেয়। প্রকারান্তরে যা বেইজিংয়ের ক্ষমতাকেই আরও শক্তিশালী করেছে।

সৌদির মোট জিডিপির সমান

চিনে আবাসন খাতের মন্দা ও অভ্যন্তরীণ বাজারে চাহিদার অভাব চলায় বেইজিং এখন রফতানির উপর বেশি নির্ভর করছে। তবে এই রেকর্ড পরিমাণ উদ্বৃত্ত বিশ্ব-অর্থনীতিতে নতুন উদ্বেগের সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে চিনের বাণিজ্যনীতি, অতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষমতা ও গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের জন্য চিনের উপর অতি-নির্ভরশীলতা নিয়ে অনেক দেশই চিন্তিত। কাস্টমস ডেটা অনুযায়ী, গত বছর চিনের মোট বাণিজ্য উদ্বৃত্ত দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি ডলারে। এই পরিমাণটা বিশ্বের শীর্ষ ২০টি অর্থনীতির একটি– সৌদি আরবের মোট জিডিপির সমান। গত নভেম্বরে প্রথমবারের মতো এই উদ্বৃত্ত ১ লাখ কোটি ডলারের সীমা অতিক্রম করেছিল।

মজবুত বৈদেশিক বাণিজ্য এবং…

চীনের কাস্টমস প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, চিনের বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিবেশ এখনও বেশ কঠিন ও জটিল। তবে, বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ঝুঁকির বদলে চিনের সক্ষমতা বরং আরও বেড়েছে। এবং চিনের বৈদেশিক বাণিজ্যের ভিত্তি এখনও যথেষ্ট মজবুত। ডিসেম্বরে চিনের রফতানি গত বছরের তুলনায় ৬.৬ শতাংশ বেড়েছে, যা নভেম্বরে ছিল ৫.৯ শতাংশ। সব মিলিয়ে বিশ্ব বাজারে চিনের দখল বাড়ছে। ভালো বৃদ্ধি আসার পরে চিনের মুদ্রা স্থিতিশীল রয়েছে, শেয়ারবাজারেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

ট্রাম্পের মুখে ঝামা

আর এটিই প্রমাণ করে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের পদক্ষেপ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে চিনের পণ্য কমালেও বিশ্বের বাকি অংশে চিনের বৈদেশিক বাণিজ্যকে খুব একটা ধাক্কা দিতে বা ক্ষতি করতে পারেনি। ২০২৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিনের রফতানি ২০ শতাংশ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে চিনে আমদানি ১৪.৬ শতাংশ কমেছে। যদিও চিনের কারখানাগুলি বিকল্প বাজার খুঁজে নিয়েছে। আফ্রিকা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলিতে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নে তাদের রফতানির পরিমাণ অনেকটা বেড়েছে।

(Feed Source: zeenews.com)