Ahmedabad Plane Crash Big Update: ভয়াবহ আমদাবাদ বিমান দুর্ঘটনার তদন্তে বিগ আপডেট! নিহত ক্যাপ্টেনের পাইলট ভাইপো-ই…

Ahmedabad Plane Crash Big Update: ভয়াবহ আমদাবাদ বিমান দুর্ঘটনার তদন্তে বিগ আপডেট! নিহত ক্যাপ্টেনের পাইলট ভাইপো-ই…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: হাড়হিম করা ভয়াবহ আমদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা। ভয়াবহ, বীভৎস সেই বিমান দুর্ঘটনার ভয়ানক সব ছবি এখনও দেশবাসীর স্মৃতিতে টাটকা। পরিজন হারানোর দগদগে ঘা এখনও শুকায়নি নিহতদের পরিবারের। তারমধ্যেই ভয়াবহ আমদাবাদ বিমান দুর্ঘটনার তদন্ত নাটকীয় মোড় নিল…

নিহত ক্যাপ্টেনের পাইলট ভাইপো-ই এবার তদন্তের মুখোমুখি! আমদাবাদ বিমান দুর্ঘটনার তদন্তে তলব করা হয়েছে অভিশপ্ত AI 171-এর নিহত পাইলট ক্যাপ্টেন সুমিত সাভারওয়ালের পাইলট ভাইপোকেই। তবে পাইলট ক্যাপ্টেন বরুণ আনন্দকে তলব করার বিরুদ্ধে তীব্র আপত্তি জানিয়েছে ভারতের পাইলট ফেডারেশন (FIP)। এয়ারক্রাফ্ট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরোর (AAIB) ক্যাপ্টেন বরুণ আনন্দকে এই নোটিস পাঠানোকে “সম্পূর্ণ অযৌক্তিক” এবং “হয়রানিমূলক” বলে উল্লেখ করেছে এফআইপি।

ক্যাপ্টেন আনন্দ বরুণ নিজে পাইলট হিসেবে এয়ার ইন্ডিয়ায় কর্মরত। নিজেও এফআইপির সদস্য। কিন্তু নোটিসে তাঁকে কেন, কী কারণে, কোন আইনি ভিত্তিতে ডাকা হয়েছে, সে বিষয়ে কিছুই স্পষ্ট করা হয়নি বলে অভিযোগ পাইলট সংগঠনের। এফআইপির অভিযোগ, একটি মর্মান্তিক ব্যক্তিগত ক্ষতির পর ক্যাপ্টেন আনন্দ বরুণকে মানসিক হয়রানির মুখে ফেলা হচ্ছে। এতে তাঁর পেশাগত ও সামাজিক সুনাম ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ওদিকে ক্যাপ্টেন আনন্দ বরুণ ভিডিয়ো কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে তদন্তকারী সংস্থার যে কোনও প্রশ্নের উত্তর দিতে সম্মত হয়েছেন বলে খবর।

গত বছর ১২ জুন লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার আমদাবাদের সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে টেক অফের কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। অভিশপ্ত AI 171 বিমানটি মেঘানিনগরে বিজে মেডিক্যাল কলেজের একটি হস্টেল ভবনের উপর ভেঙে পড়ে। দুর্ঘটনায় গুজরাটের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি-সহ ২৪২ জন যাত্রীর মধ্যে ২৪১ জন-ই প্রাণ হারান। আশ্চর্যজনকভাবে বেঁচে যান একজন। প্রাণ হারান মেডিক্যাল কলেজ হস্টেলের বেশ কয়েকজন ডাক্তারি পড়ুয়া সহ কয়েকজন সাধারণ মানুষ। কমপক্ষে ২৭৫ জনের মৃত্যু হয় এই ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায়।

ভয়াবহ এই আমদাবাদ বিমান দুর্ঘটনাকে সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের অন্যতম ভয়ংকর বিমান দুর্ঘটনা বলা হচ্ছে। কী কারণে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটল, তার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত করছে এএআইবি। দুর্ঘটনার এক মাসের মাথাতেই গত জুলাইয়ে এএআইবি-র পেশ করা প্রাথমিক রিপোর্টে উঠে আসে, টেক অফের ঠিক পরেই বিমানের উভয় ইঞ্জিনে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। যার ফলেই ভেঙে পড়ে  বিমানটি। তবে জ্বালানির সুইচ পরিবর্তনটি দুর্ঘটনাবশত নাকি ইচ্ছাকৃতভাবে করা হয়েছিল, তা রিপোর্টে স্পষ্ট করা হয়নি।

তবে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, দুই পাইলটের কথোপকথন। যেখানে একজন পাইলটকে অপরজনকে জিজ্ঞাসা করছে, ‘তুমি জ্বালানি সুইচ বন্ধ করলে কেন?’ জবাবে অপরজন জানাচ্ছেন, তিনি কোনও সুইচ বন্ধ করেননি। পাইলটদের এই কথোপকথন ঘিরে বিতর্ক ও জল্পনা ছড়ায়। কোনও কোনও মহল এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার জন্য অভিশপ্ত এয়ার ইন্ডিয়া বিমানের পাইলটদের দায়ী করেন। যদিও এখনই কোনও সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া ভিত্তিহীন বলে সেই দাবি খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানায়, এখনও এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার তদন্ত চলছে। এখনও দুর্ঘটনার তদন্তে চূড়ান্ত রিপোর্ট আসা বাকি।

(Feed Source: zeenews.com)